নিখোঁজের দুই দিন পর গাছের মগডালে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
নিখোঁজের দুই দিন পর গাছের মগডালে সাবেক সেনাসদস্যের লাশ.
নেত্রকোণা মোহনগঞ্জে কংস নদের পাড়ের জঙ্গলে একটি গাছের মগডালে হেলান দেওয়া অবস্থায় ফজলুল রহিম কাজল (৫৫) নামে সাবেক এক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শুক্রবার সকালে উপজেলার বিরামপুর গ্রাম থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। গলায় রশি লাগানো অবস্থায় লাশটি পাওয়া গেলেও এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য।নিহত ফজলুল রহিম কাজল সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত জবান আলী। দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়ার পর তিনি নিজ উপজেলায় একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৭ অক্টোবর সকালে প্রকল্পের টাকা তুলতে ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন কাজল। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তিনি ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছিলেন কি না, তা-ও নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল আটটার দিকে এক ব্যক্তি কংস নদের পাড়ের জঙ্গলে গরু চরাতে গিয়ে পচা গন্ধ পান। পরে গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে একটি গাছের মগডালে হেলান দেওয়া অবস্থায় কাজলের লাশ দেখতে পান তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।নিহতের বড় ভাই ফজলুল করিম বুলবুল বলেন, ‘গত ৭ অক্টোবর সকালে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় কাজল। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সে টাকা তুলেছিল কি না, তা-ও জানা যায়নি। এটি কোনো আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে আমাদের ধারণা। তার লাশ গাছের ডালে হেলান দেওয়া অবস্থায় ছিল, ঝুলন্ত অবস্থায় নয়। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ‘লাশের শরীরে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। পরনের জামাকাপড়ও খুব একটা এলোমেলো নয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নেত্রকোণা মোহনগঞ্জে কংস নদের পাড়ের জঙ্গলে একটি গাছের মগডালে হেলান দেওয়া অবস্থায় ফজলুল রহিম কাজল (৫৫) নামে সাবেক এক সেনাসদস্যের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শুক্রবার সকালে উপজেলার বিরামপুর গ্রাম থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। গলায় রশি লাগানো অবস্থায় লাশটি পাওয়া গেলেও এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য।
নিহত ফজলুল রহিম কাজল সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত জবান আলী। দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়ার পর তিনি নিজ উপজেলায় একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ৭ অক্টোবর সকালে প্রকল্পের টাকা তুলতে ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন কাজল। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তিনি ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছিলেন কি না, তা-ও নিশ্চিত হতে পারেনি পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল আটটার দিকে এক ব্যক্তি কংস নদের পাড়ের জঙ্গলে গরু চরাতে গিয়ে পচা গন্ধ পান। পরে গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে একটি গাছের মগডালে হেলান দেওয়া অবস্থায় কাজলের লাশ দেখতে পান তিনি। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের বড় ভাই ফজলুল করিম বুলবুল বলেন, ‘গত ৭ অক্টোবর সকালে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় কাজল। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সে টাকা তুলেছিল কি না, তা-ও জানা যায়নি। এটি কোনো আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে আমাদের ধারণা। তার লাশ গাছের ডালে হেলান দেওয়া অবস্থায় ছিল, ঝুলন্ত অবস্থায় নয়। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ‘লাশের শরীরে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। পরনের জামাকাপড়ও খুব একটা এলোমেলো নয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’