লক্ষণশ্রী ইউপির চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান মুফতি ত্বাহা
মো. শরীফ উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২০ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
লক্ষণশ্রী ইউপির চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান মুফতি ত্বাহা.
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৭ নম্বর লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা। শিক্ষা, নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চান তিনি।মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের নীলপুর গ্রামের বাসিন্দা। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায় ব্যক্তিদের সহযোগিতা করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করেন তিনি।ত্বাহার প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, লক্ষণশ্রী ইউনিয়নকে পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব, মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। এ লক্ষ্য অর্জনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সম্ভাব্য এই প্রার্থী।তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনায় রয়েছে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোর উন্নয়ন, গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসন। পাশাপাশি শিক্ষা ও নৈতিকতার প্রসার, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চান ত্বাহা। প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করা এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে চান তিনি। এ ছাড়া কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন।মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহার শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে ক্বিরাআত, দাওরায়ে হাদিস ও ইফতা বিষয়ে ধর্মীয় শিক্ষা। তাঁর প্রচারপত্রে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।ত্বাহার মতে, একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, মানবিক মূল্যবোধ এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ। জনগণের আস্থা অর্জন ও তাঁদের প্রত্যাশা পূরণকে সামনে রেখে কাজ করতে চান তিনি।আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা করছেন মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা। তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনায় শিক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি, জনসেবা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্ব পেয়েছে। এসব পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া, জনগণের মতামত ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৭ নম্বর লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা। শিক্ষা, নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চান তিনি।
মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের নীলপুর গ্রামের বাসিন্দা। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায় ব্যক্তিদের সহযোগিতা করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব মনে করেন তিনি।
ত্বাহার প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, লক্ষণশ্রী ইউনিয়নকে পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব, মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান তিনি। এ লক্ষ্য অর্জনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সম্ভাব্য এই প্রার্থী।
তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনায় রয়েছে ইউনিয়নের রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোর উন্নয়ন, গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলাবদ্ধতা নিরসন। পাশাপাশি শিক্ষা ও নৈতিকতার প্রসার, মাদক ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চান ত্বাহা। প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য সহজলভ্য সেবা নিশ্চিত করা এবং তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে চান তিনি। এ ছাড়া কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা তুলে ধরেছেন।
মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহার শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে ক্বিরাআত, দাওরায়ে হাদিস ও ইফতা বিষয়ে ধর্মীয় শিক্ষা। তাঁর প্রচারপত্রে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
ত্বাহার মতে, একটি ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, মানবিক মূল্যবোধ এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ। জনগণের আস্থা অর্জন ও তাঁদের প্রত্যাশা পূরণকে সামনে রেখে কাজ করতে চান তিনি।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা করছেন মুফতি আব্দুল মালিক ত্বাহা। তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনায় শিক্ষা, সামাজিক সম্প্রীতি, জনসেবা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্ব পেয়েছে। এসব পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া, জনগণের মতামত ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর।