অবৈধভাবে সার মজুত, নীলফামারীতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৬ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
অবৈধভাবে সার মজুত, নীলফামারীতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা.
নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা বাজারে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ৭৯৪ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাজারটির দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ। তাঁকে সহযোগিতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা।অভিযানে কচুকাটা বাজারের ভাই ভাই ট্রেডার্স-এর গুদাম থেকে ৭৪৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক শহিদুল্লাহ ওরফে যাদু মিয়া অনুমোদনের বাইরে এসব সার মজুত করেছিলেন বলে অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরে কৃষকদের কাছে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়।জব্দ করা সারের মধ্যে ছিল ৫০০ বস্তা এমওপি, ১৯৩ বস্তা টিএসপি, ৩৭ বস্তা ডিএপি ও ১৮ বস্তা ইউরিয়া। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।একই অভিযানে মেসার্স মাস্টার ট্রেডার্স থেকেও অবৈধভাবে মজুত করা ৪৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২২ বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা টিএসপি, ১২ বস্তা ডিএপি ও ৭ বস্তা এমওপি রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক শাহজাহান ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা মোট ৭৯৪ বস্তা সার এখন প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে। জরিমানার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থে অবৈধভাবে সার মজুত ও বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, কৃষি মৌসুমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সারের দাম বাড়ানোর সুযোগ ঠেকাতে বাজারে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনুমোদনের বাইরে সার মজুত, কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা বাজারে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ৭৯৪ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাজারটির দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ। তাঁকে সহযোগিতা করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ ও থানা-পুলিশের সদস্যরা।
অভিযানে কচুকাটা বাজারের ভাই ভাই ট্রেডার্স-এর গুদাম থেকে ৭৪৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক শহিদুল্লাহ ওরফে যাদু মিয়া অনুমোদনের বাইরে এসব সার মজুত করেছিলেন বলে অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরে কৃষকদের কাছে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়।
জব্দ করা সারের মধ্যে ছিল ৫০০ বস্তা এমওপি, ১৯৩ বস্তা টিএসপি, ৩৭ বস্তা ডিএপি ও ১৮ বস্তা ইউরিয়া। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই অভিযানে মেসার্স মাস্টার ট্রেডার্স থেকেও অবৈধভাবে মজুত করা ৪৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২২ বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা টিএসপি, ১২ বস্তা ডিএপি ও ৭ বস্তা এমওপি রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক শাহজাহান ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা মোট ৭৯৪ বস্তা সার এখন প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে। জরিমানার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থে অবৈধভাবে সার মজুত ও বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, কৃষি মৌসুমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সারের দাম বাড়ানোর সুযোগ ঠেকাতে বাজারে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অনুমোদনের বাইরে সার মজুত, কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা কৃষকদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।