‘পিল্লাইকে শান্তিতে নোবেল দিয়ে নিজেদেরকে লজ্জিত করেছে নোবেল কমিটি’
alamin dhakaprobe
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
‘পিল্লাইকে শান্তিতে নোবেল দিয়ে নিজেদেরকে লজ্জিত করেছে নোবেল কমিটি’.
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি সত্ত্বেও এবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৬ সালের এই পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মানবাধিকারকর্মী নাভেনথাম নাভি পিল্লাই।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) নরওয়ের রাজধানী অসলোর নোবেল ইনস্টিটিউট থেকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে শান্তিতে নোবেল পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো না ট্রাম্পের।এ বিষয়ে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন আইনজীবী ডেভিড স্কলনের একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি।ওই পোস্টে নোবেল কমিটির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলেন স্কলন। একই সঙ্গে ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি দাবি করেন, শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।স্কলন লেখেন, ‘আজ নোবেল কমিটি জাতিসংঘের নাভি পিল্লাইকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে নিজেদের অপূরণীয়ভাবে লজ্জিত করেছে এবং একসময়কার মহান এই পুরস্কারকে অপমানিত করেছে। পিল্লাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একজন নির্লজ্জ বিদ্বেষী। নিজের পদে থেকে তিনি সন্ত্রাসীদের জয়গান গেয়েছেন এবং হামাসকে পুরস্কৃত করেছেন।’পোস্টে পিল্লাইয়ের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তোলেন স্কলন। তিনি দাবি করেন, পিল্লাই একটি ভুয়া তদন্ত পরিচালনা করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছেন এবং দেশটির বিচার দাবি করেছেন। স্কলনের ভাষ্য, পিল্লাইয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। বরং তিনি এর বিপরীত কাজ করেছেন।নোবেল কমিটির সমালোচনা করে স্কলন আরও লেখেন, যে কমিটি একসময় ইয়াসির আরাফাতকে শান্তি পুরস্কার দিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে আর কী আশা করা যায়?এরপর ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন স্কলন। তিনি লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের আব্রাহাম অ্যাকর্ডস দিয়েছেন, যা নিয়ে সারা বিশ্ব বলেছিল অসম্ভব। এখন তিনি তা আরও প্রসারিত করছেন। যখন সবকিছু আশাহীন মনে হচ্ছিল, তখন তিনি গাজা থেকে জিম্মিদের দেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন।’স্কলনের দাবি, ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে, ইরানকে থামাতে এবং গাজা পুনর্গঠনে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। এ ধরনের উদ্যোগের তালিকা আরও দীর্ঘ বলে উল্লেখ করেন তিনি।পোস্টের শেষাংশে ট্রাম্পকে সরাসরি ট্যাগ করে স্কলন লেখেন, ‘নোবেল শান্তি পুরস্কার তো এই ধরনের কাজগুলোকেই স্বীকৃতি ও পুরস্কৃত করার জন্য প্রবর্তিত হয়েছিল!’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এবং কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি সত্ত্বেও এবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৬ সালের এই পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মানবাধিকারকর্মী নাভেনথাম নাভি পিল্লাই।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) নরওয়ের রাজধানী অসলোর নোবেল ইনস্টিটিউট থেকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে শান্তিতে নোবেল পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো না ট্রাম্পের।
এ বিষয়ে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন আইনজীবী ডেভিড স্কলনের একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি।
ওই পোস্টে নোবেল কমিটির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলেন স্কলন। একই সঙ্গে ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি দাবি করেন, শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
স্কলন লেখেন, ‘আজ নোবেল কমিটি জাতিসংঘের নাভি পিল্লাইকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দিয়ে নিজেদের অপূরণীয়ভাবে লজ্জিত করেছে এবং একসময়কার মহান এই পুরস্কারকে অপমানিত করেছে। পিল্লাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একজন নির্লজ্জ বিদ্বেষী। নিজের পদে থেকে তিনি সন্ত্রাসীদের জয়গান গেয়েছেন এবং হামাসকে পুরস্কৃত করেছেন।’
পোস্টে পিল্লাইয়ের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তোলেন স্কলন। তিনি দাবি করেন, পিল্লাই একটি ভুয়া তদন্ত পরিচালনা করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছেন এবং দেশটির বিচার দাবি করেছেন। স্কলনের ভাষ্য, পিল্লাইয়ের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর কোনো ভূমিকা নেই। বরং তিনি এর বিপরীত কাজ করেছেন।
নোবেল কমিটির সমালোচনা করে স্কলন আরও লেখেন, যে কমিটি একসময় ইয়াসির আরাফাতকে শান্তি পুরস্কার দিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে আর কী আশা করা যায়?
এরপর ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন স্কলন। তিনি লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাদের আব্রাহাম অ্যাকর্ডস দিয়েছেন, যা নিয়ে সারা বিশ্ব বলেছিল অসম্ভব। এখন তিনি তা আরও প্রসারিত করছেন। যখন সবকিছু আশাহীন মনে হচ্ছিল, তখন তিনি গাজা থেকে জিম্মিদের দেশে ফিরিয়ে এনেছিলেন।’
স্কলনের দাবি, ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে, ইরানকে থামাতে এবং গাজা পুনর্গঠনে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। এ ধরনের উদ্যোগের তালিকা আরও দীর্ঘ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টের শেষাংশে ট্রাম্পকে সরাসরি ট্যাগ করে স্কলন লেখেন, ‘নোবেল শান্তি পুরস্কার তো এই ধরনের কাজগুলোকেই স্বীকৃতি ও পুরস্কৃত করার জন্য প্রবর্তিত হয়েছিল!’