দিল্লিতে আবারও বড় বিক্ষোভের ডাক, নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন ও ইন্টারনেট বন্ধ
alamin dhakaprobe
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দিল্লিতে আবারও বড় বিক্ষোভের ডাক, নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন ও ইন্টারনেট বন্ধ.
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের সদস্য। বসানো হয়েছে ৩০০টির বেশি ক্যামেরা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১২টি অস্থায়ী বন্দিশালা।বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে গতকাল শুক্রবার রাত ১০টা থেকে যন্তরমন্তর ও এর আশপাশের চার কিলোমিটার এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আজ শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।বিক্ষোভে রাজধানী ও আশপাশের এলাকা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে লোকজনের যোগদান ঠেকাতে দিল্লির ৪৫টি মেট্রোস্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ২৫০টি ট্রেন।বিশাল জনসমাগম, যান চলাচলে সম্ভাব্য বিঘ্ন এবং অতীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করে সিজেপির বিক্ষোভের অনুমতি আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও দলটির কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।রাজ্য পুলিশপ্রধানদের স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশসিজেপির সম্ভাব্য বিক্ষোভ সামনে রেখে ভারতের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশপ্রধানদের চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। গতকাল ৯ অক্টোবর পাঠানো ওই চিঠিতে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।চিঠিতে গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, অনুমতি না থাকলেও সিজেপির সদস্য ও সমর্থকেরা দিল্লিতে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারেন। এ পরিস্থিতিতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সীমান্ত তদারককারী কর্তৃপক্ষকে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নয়াদিল্লির সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে প্রবেশকারী যানবাহনের ওপর নজরদারি ও তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আজ শনিবার দিল্লির মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নজরদারিবিক্ষোভের জন্য লোকজনকে সংগঠিত করার প্রচেষ্টার ওপরও নজর রাখছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট ও বার্তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০ জনের বেশি কনটেন্ট নির্মাতাও পুলিশের নজরদারির আওতায় রয়েছেন।সিজেপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, যোগাযোগে বিধিনিষেধ এবং যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপের মধ্য দিয়ে আজ দিল্লিতে দিনটি শুরু হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের সদস্য। বসানো হয়েছে ৩০০টির বেশি ক্যামেরা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১২টি অস্থায়ী বন্দিশালা।
বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে গতকাল শুক্রবার রাত ১০টা থেকে যন্তরমন্তর ও এর আশপাশের চার কিলোমিটার এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আজ শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
বিক্ষোভে রাজধানী ও আশপাশের এলাকা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে লোকজনের যোগদান ঠেকাতে দিল্লির ৪৫টি মেট্রোস্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ২৫০টি ট্রেন।
বিশাল জনসমাগম, যান চলাচলে সম্ভাব্য বিঘ্ন এবং অতীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করে সিজেপির বিক্ষোভের অনুমতি আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে এসব বিধিনিষেধের মধ্যেও দলটির কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।
রাজ্য পুলিশপ্রধানদের স্বরাষ্ট্র সচিবের নির্দেশ
সিজেপির সম্ভাব্য বিক্ষোভ সামনে রেখে ভারতের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশপ্রধানদের চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন। গতকাল ৯ অক্টোবর পাঠানো ওই চিঠিতে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, অনুমতি না থাকলেও সিজেপির সদস্য ও সমর্থকেরা দিল্লিতে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারেন। এ পরিস্থিতিতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং সীমান্ত তদারককারী কর্তৃপক্ষকে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নয়াদিল্লির সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে প্রবেশকারী যানবাহনের ওপর নজরদারি ও তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আজ শনিবার দিল্লির মদের দোকান ও পানশালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নজরদারি
বিক্ষোভের জন্য লোকজনকে সংগঠিত করার প্রচেষ্টার ওপরও নজর রাখছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট ও বার্তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০ জনের বেশি কনটেন্ট নির্মাতাও পুলিশের নজরদারির আওতায় রয়েছেন।
সিজেপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, যোগাযোগে বিধিনিষেধ এবং যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপের মধ্য দিয়ে আজ দিল্লিতে দিনটি শুরু হয়েছে।