যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ ভারতীয় আইটি প্রতিষ্ঠানের শ্রম সনদ প্রক্রিয়া স্থগিত
alamin dhakaprobe
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৮ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ ভারতীয় আইটি প্রতিষ্ঠানের শ্রম সনদ প্রক্রিয়া স্থগিত.
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বিদেশি কর্মীদের স্পন্সর করার শ্রম সনদ প্রক্রিয়ায় ভারতের পাঁচ শীর্ষ আইটি প্রতিষ্ঠানের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো ও এইচসিএলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো চাপে পড়েছে। মার্কিন কর্মীদের চাকরি সুরক্ষার যুক্তিতে নেওয়া এ পদক্ষেপে ভারতীয় প্রযুক্তি খাতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মার্কিন শ্রমসচিব কিথ সান্ডারলিং এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন অ্যান্টি-ফ্রড টাস্ক ফোর্সের প্রধান এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।শ্রমসচিব বলেন, বিশ্বের বড় বড় আইটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামে (পিইআরএম) অংশগ্রহণ স্থগিত করা হচ্ছে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। পাশাপাশি চলমান আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াকরণও বন্ধ থাকবে।সান্ডারলিংয়ের দাবি, ২০০৯ সাল থেকে এসব প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০ লাখ বিদেশি কর্মীর জন্য আবেদন করেছে। এ পর্যন্ত তারা ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন এবং ১ লাখের বেশি স্থায়ী শ্রম সনদ পেয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান মার্কিন কর্মীদের বিপুলসংখ্যক চাকরির সুযোগ কেড়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পিইআরএম কর্মসূচির আওতায় নিয়োগকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কাজ ও বসবাসের জন্য বিদেশি কর্মীদের স্পন্সর করতে পারেন। কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে ভ্যান্সের অভিযোগমাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে এ কর্মসূচির অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর দাবি, প্রতিষ্ঠানটি পর্যাপ্ত যোগ্য মার্কিন কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না—এমন যুক্তি দেখিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ নিয়েছে।ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, মাইক্রোসফট ২০২৫ সালে ৬ হাজার মার্কিন কর্মীকে ছাঁটাই করে। অথচ একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৬ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন পায় এবং প্রায় ৩ হাজার ৬৮২টি পিইআরএম আবেদন জমা দেয়। এসব আবেদনের মধ্যে প্রায় ১ হাজারটি ছিল ছাঁটাই হওয়া মার্কিন কর্মীদের একই পদের বিপরীতে।ভ্যান্স অভিযোগ করেন, বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি চাওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে স্থানীয় কর্মী খুঁজতে হয়। কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান ছোট শহরের সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে পরে দাবি করে, কোনো যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। এভাবে মার্কিন কর্মীদের পরিবর্তে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।এইচ-১বি ভিসায় নিয়োগ পাওয়া বিদেশি কর্মীদের ‘বিদেশি চুক্তিবদ্ধ চাকর’ বলে অভিহিত করেন ভ্যান্স। এ কর্মসূচি ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘ভিসা মিল’ বলেও সমালোচনা করেন তিনি।জে-১ ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে গবেষক ও গবেষণা পণ্ডিতদের স্পন্সর করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এ ভিসার অতিরিক্ত ব্যবহার করে মার্কিন স্নাতক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মজুরি কমিয়ে দিচ্ছে।ভ্যান্সের মতে, দক্ষ বিদেশি কর্মী আনার জন্য তৈরি ভিসা কর্মসূচিগুলোকে মার্কিন কর্মীদের মজুরি কমানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।নাসকমের প্রতিক্রিয়াভারতের প্রযুক্তি খাতের সংগঠন নাসকম জানিয়েছে, দেশটির প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এইচ-১বি ভিসার ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে।এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, নির্দিষ্ট একটি অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও অভিবাসন এবং দক্ষ কর্মীদের আন্তর্জাতিক চলাচল এক বিষয় নয়। এ দুটিকে একইভাবে বিবেচনা করা উচিত নয়।নাসকমের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি। ভবিষ্যতেও এর প্রয়োজনীয়তা থাকবে।সংগঠনটি আরও জানায়, গত কয়েক বছরে ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় কর্মী নিয়োগ বাড়িয়েছে এবং নিজেদের কর্মীভিত্তি শক্তিশালী করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান দেশটির ফরচুন ৫০০ তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির সঙ্গে কাজ করে উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখছে তারা।এইচ-১বি ভিসায় কড়াকড়ি বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসনযুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় কর্মীদের চাকরি সুরক্ষার যুক্তিতে অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগ করা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও বাড়ছে চাপ।এর আগে গত মাসে এইচ-১বি অ-অভিবাসী ভিসার জন্য ১ লাখ ডলার ফি আরোপসংক্রান্ত নির্বাহী আদেশের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।নতুন স্থগিতাদেশের ফলে ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মী নিয়োগ এবং কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের জন্য স্পন্সর করার প্রক্রিয়া কতটা প্রভাবিত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বিদেশি কর্মীদের স্পন্সর করার শ্রম সনদ প্রক্রিয়ায় ভারতের পাঁচ শীর্ষ আইটি প্রতিষ্ঠানের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এতে কগনিজেন্ট, ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), উইপ্রো ও এইচসিএলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো চাপে পড়েছে। মার্কিন কর্মীদের চাকরি সুরক্ষার যুক্তিতে নেওয়া এ পদক্ষেপে ভারতীয় প্রযুক্তি খাতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মার্কিন শ্রমসচিব কিথ সান্ডারলিং এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন অ্যান্টি-ফ্রড টাস্ক ফোর্সের প্রধান এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
শ্রমসচিব বলেন, বিশ্বের বড় বড় আইটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানের পার্মানেন্ট লেবার সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামে (পিইআরএম) অংশগ্রহণ স্থগিত করা হচ্ছে। এর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। পাশাপাশি চলমান আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াকরণও বন্ধ থাকবে।
সান্ডারলিংয়ের দাবি, ২০০৯ সাল থেকে এসব প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০ লাখ বিদেশি কর্মীর জন্য আবেদন করেছে। এ পর্যন্ত তারা ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন এবং ১ লাখের বেশি স্থায়ী শ্রম সনদ পেয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান মার্কিন কর্মীদের বিপুলসংখ্যক চাকরির সুযোগ কেড়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
পিইআরএম কর্মসূচির আওতায় নিয়োগকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে কাজ ও বসবাসের জন্য বিদেশি কর্মীদের স্পন্সর করতে পারেন। কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে ভ্যান্সের অভিযোগ
মাইক্রোসফটের বিরুদ্ধে এ কর্মসূচির অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর দাবি, প্রতিষ্ঠানটি পর্যাপ্ত যোগ্য মার্কিন কর্মী পাওয়া যাচ্ছে না—এমন যুক্তি দেখিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ নিয়েছে।
ভ্যান্সের ভাষ্য অনুযায়ী, মাইক্রোসফট ২০২৫ সালে ৬ হাজার মার্কিন কর্মীকে ছাঁটাই করে। অথচ একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ৬ হাজারের বেশি এইচ-১বি ভিসার অনুমোদন পায় এবং প্রায় ৩ হাজার ৬৮২টি পিইআরএম আবেদন জমা দেয়। এসব আবেদনের মধ্যে প্রায় ১ হাজারটি ছিল ছাঁটাই হওয়া মার্কিন কর্মীদের একই পদের বিপরীতে।
ভ্যান্স অভিযোগ করেন, বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি চাওয়ার আগে প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে স্থানীয় কর্মী খুঁজতে হয়। কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান ছোট শহরের সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে পরে দাবি করে, কোনো যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। এভাবে মার্কিন কর্মীদের পরিবর্তে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এইচ-১বি ভিসায় নিয়োগ পাওয়া বিদেশি কর্মীদের ‘বিদেশি চুক্তিবদ্ধ চাকর’ বলে অভিহিত করেন ভ্যান্স। এ কর্মসূচি ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘ভিসা মিল’ বলেও সমালোচনা করেন তিনি।
জে-১ ভিসা কর্মসূচির মাধ্যমে গবেষক ও গবেষণা পণ্ডিতদের স্পন্সর করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এ ভিসার অতিরিক্ত ব্যবহার করে মার্কিন স্নাতক শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মজুরি কমিয়ে দিচ্ছে।
ভ্যান্সের মতে, দক্ষ বিদেশি কর্মী আনার জন্য তৈরি ভিসা কর্মসূচিগুলোকে মার্কিন কর্মীদের মজুরি কমানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
নাসকমের প্রতিক্রিয়া
ভারতের প্রযুক্তি খাতের সংগঠন নাসকম জানিয়েছে, দেশটির প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এইচ-১বি ভিসার ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে।
এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, নির্দিষ্ট একটি অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও অভিবাসন এবং দক্ষ কর্মীদের আন্তর্জাতিক চলাচল এক বিষয় নয়। এ দুটিকে একইভাবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
নাসকমের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রে স্বল্পমেয়াদি দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এইচ-১বি ভিসা কর্মসূচি। ভবিষ্যতেও এর প্রয়োজনীয়তা থাকবে।
সংগঠনটি আরও জানায়, গত কয়েক বছরে ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় কর্মী নিয়োগ বাড়িয়েছে এবং নিজেদের কর্মীভিত্তি শক্তিশালী করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান দেশটির ফরচুন ৫০০ তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির সঙ্গে কাজ করে উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখছে তারা।
এইচ-১বি ভিসায় কড়াকড়ি বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন
যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় কর্মীদের চাকরি সুরক্ষার যুক্তিতে অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগ করা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও বাড়ছে চাপ।
এর আগে গত মাসে এইচ-১বি অ-অভিবাসী ভিসার জন্য ১ লাখ ডলার ফি আরোপসংক্রান্ত নির্বাহী আদেশের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
নতুন স্থগিতাদেশের ফলে ভারতীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মী নিয়োগ এবং কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের জন্য স্পন্সর করার প্রক্রিয়া কতটা প্রভাবিত হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।