কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা, ওসিসহ ৩ পুলিশ আহত
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা, ওসিসহ ৩ পুলিশ আহত.
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশিকুল্লাহর বিরুদ্ধে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমানসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার খলিশাকুন্ডি মারাকাজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে মাদ্রাসায় এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ ওঠে অধ্যক্ষ আশিকুল্লাহর বিরুদ্ধে। পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি তার বাবাকে জানালে ঘটনাটি জানাজানি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্থানীয়রা মাদ্রাসায় গিয়ে অধ্যক্ষকে ঘিরে রাখেন।খবর পেয়ে দৌলতপুর থানার ওসি খালিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি তাঁকে মারধরের চেষ্টা করেন। পুলিশ বাধা দিলে তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ শুরু হয়।এতে ওসি খালিদুর রহমান, একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে এএসআইয়ের আঘাত কিছুটা গুরুতর বলে জানিয়েছে পুলিশ।ওই শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘লোকমুখে জানতে পারি, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাঝেমধ্যে আমার ছেলের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করতেন। পরে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলে সে আমাকে বিস্তারিত জানায়।’তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের মা নেই। চার বছর আগে তার মা মারা গেছেন। ছেলেকে হাফেজ বানানোর স্বপ্ন ছিল তার। সেই কারণে গত চার বছর ধরে ছেলেকে এই মাদ্রাসায় রেখেছিলাম। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশিকুল্লাহর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি যশোর জেলার বাসিন্দা। মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের আটি গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়ি রয়েছে।দৌলতপুর থানার ওসি খালিদুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমিসহ একজন এএসআই ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এএসআই কিছুটা বেশি আহত হয়েছেন। তবে আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে চলে এসেছি।’তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানাতে পারব।’ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশিকুল্লাহর বিরুদ্ধে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে অধ্যক্ষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমানসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার খলিশাকুন্ডি মারাকাজুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে মাদ্রাসায় এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ ওঠে অধ্যক্ষ আশিকুল্লাহর বিরুদ্ধে। পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি তার বাবাকে জানালে ঘটনাটি জানাজানি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্থানীয়রা মাদ্রাসায় গিয়ে অধ্যক্ষকে ঘিরে রাখেন।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানার ওসি খালিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় কয়েকজন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি তাঁকে মারধরের চেষ্টা করেন। পুলিশ বাধা দিলে তাদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষ শুরু হয়।
এতে ওসি খালিদুর রহমান, একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে এএসআইয়ের আঘাত কিছুটা গুরুতর বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওই শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘লোকমুখে জানতে পারি, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাঝেমধ্যে আমার ছেলের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করতেন। পরে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলে সে আমাকে বিস্তারিত জানায়।’
তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের মা নেই। চার বছর আগে তার মা মারা গেছেন। ছেলেকে হাফেজ বানানোর স্বপ্ন ছিল তার। সেই কারণে গত চার বছর ধরে ছেলেকে এই মাদ্রাসায় রেখেছিলাম। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশিকুল্লাহর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি যশোর জেলার বাসিন্দা। মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের আটি গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়ি রয়েছে।
দৌলতপুর থানার ওসি খালিদুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমিসহ একজন এএসআই ও একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এএসআই কিছুটা বেশি আহত হয়েছেন। তবে আমি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে চলে এসেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত জানাতে পারব।’
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।