মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৫ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, এমপির সামাধানের আশ্বাস
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪০ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৫ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, এমপির সামাধানের আশ্বাস.
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পাঁচ গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয় এমপির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।বুধবার (৭ অক্টোবর) উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রামের সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহখানেক আগে মধ্য তাহিরপুর এলাকার একটি মাঠে একদল কিশোর ক্রিকেট খেলছিল। এ সময় পাশের সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক দিয়ে একটি ইজিবাইক যাচ্ছিল। খেলার একপর্যায়ে মাঠ থেকে বল গিয়ে ইজিবাইকের সামনের কাচে লাগে। এ নিয়ে মধ্য তাহিরপুর (ময়মনসিংহ হাটি) গ্রামের ইজিবাইকচালকের সঙ্গে বীরনগর গ্রামের এক কিশোরের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।এর পরদিন বীরনগর গ্রামের এক যুবককে তাহিরপুর বাজারে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের দুই ব্যক্তি মারধর করেন বলে স্থানীয়রা জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের লোকজনের সঙ্গে বীরনগর, ধুতমা, জয়নগর ও লক্ষীপুর গ্রামের মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।মঙ্গলবার রাতে আবারও বাজারে দুই গ্রামের দুই যুবকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর রাত ১২টার দিকে বীরনগর গ্রামের একটি মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, সকালে যার কাছে যা আছে তা নিয়ে মাঠে থাকার জন্য। মাইকে দেওয়া ওই ঘোষণার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।বুধবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হওয়ায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। পরে প্রথমে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং এরপর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইটপাটকেলের আঘাতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত তিনজনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক আহমদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং দুই পক্ষকে সংঘর্ষে না জড়ানোর জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে। বুধবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়ার পর একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে ইটপাটকেলের আঘাতে ৩০ থেকে ৪০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পাঁচ গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। পরে স্থানীয় এমপির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রামের সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহখানেক আগে মধ্য তাহিরপুর এলাকার একটি মাঠে একদল কিশোর ক্রিকেট খেলছিল। এ সময় পাশের সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক দিয়ে একটি ইজিবাইক যাচ্ছিল। খেলার একপর্যায়ে মাঠ থেকে বল গিয়ে ইজিবাইকের সামনের কাচে লাগে। এ নিয়ে মধ্য তাহিরপুর (ময়মনসিংহ হাটি) গ্রামের ইজিবাইকচালকের সঙ্গে বীরনগর গ্রামের এক কিশোরের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
এর পরদিন বীরনগর গ্রামের এক যুবককে তাহিরপুর বাজারে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের দুই ব্যক্তি মারধর করেন বলে স্থানীয়রা জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের লোকজনের সঙ্গে বীরনগর, ধুতমা, জয়নগর ও লক্ষীপুর গ্রামের মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার রাতে আবারও বাজারে দুই গ্রামের দুই যুবকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর রাত ১২টার দিকে বীরনগর গ্রামের একটি মসজিদ থেকে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, সকালে যার কাছে যা আছে তা নিয়ে মাঠে থাকার জন্য। মাইকে দেওয়া ওই ঘোষণার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।
বুধবার সকালে উভয়পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হওয়ায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। পরে প্রথমে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং এরপর পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।
দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইটপাটকেলের আঘাতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত তিনজনকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক আহমদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নেয় এবং দুই পক্ষকে সংঘর্ষে না জড়ানোর জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে। বুধবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়ার পর একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে ইটপাটকেলের আঘাতে ৩০ থেকে ৪০ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।