১৫ বছরের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনার দায়িত্বে ডিপি ওয়ার্ল্ড
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
১৫ বছরের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনার দায়িত্বে ডিপি ওয়ার্ল্ড.
চুক্তি সই. চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কনসেশন চুক্তি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরের জন্য নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশ-বিডার কার্যালয়ে এ চুক্তি সই হয়। নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান এইচ ই ইসা কারিম এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান।চুক্তি অনুযায়ী, ল্যান্ডলর্ড মডেলে এনসিটি পরিচালনা করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড। এ ব্যবস্থায় টার্মিনালের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাতেই থাকবে। ডিপি ওয়ার্ল্ড নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য শুধু পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে।চুক্তির ১৫ বছরে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রায় ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। এর মধ্যে অগ্রিম অর্থ পরিশোধ, টার্মিনাল আধুনিকায়ন, যন্ত্রপাতি হালনাগাদ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যয় রয়েছে। বিনিয়োগের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে আসবে।এনসিটির পরিচালনা, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের দায়িত্বও থাকবে ডিপি ওয়ার্ল্ডের। কনসেশনের পুরো মেয়াদে এসব কাজে বাংলাদেশ সরকার বা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে অর্থ ব্যয় করতে হবে না।চুক্তিতে রাজস্ব ভাগাভাগির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রতি টিইইউ কনটেইনার থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষ রাজস্বের একটি অংশ পাবে। টার্মিনালের গড় আয় বাড়লে বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্বের অংশও বাড়বে। প্রতি টিইইউ থেকে ৪০ থেকে ৬৭ শতাংশ রয়্যালটি বা রাজস্বের অংশ পাবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।চুক্তির পর এনসিটিতে কর্মরত কোনো কর্মী ছাঁটাই করা হবে না। বিদ্যমান কর্মীদের পিপিপি কাঠামোর নতুন ব্যবস্থায় পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাদের বেতন-ভাতাও কমবে না বলে জানানো হয়েছে।ডিপি ওয়ার্ল্ড এনসিটিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও পরিবেশগত মানদণ্ড বাস্তবায়ন করবে। প্রতিষ্ঠানটির ৬০টির বেশি বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এনসিটির পরিচালন দক্ষতা বাড়ানোর কথা রয়েছে।আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাহাজ ও ট্রাকের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। ট্রাকের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ধীরে ধীরে ৯০ মিনিটে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কাগজবিহীন কার্যক্রম ও অটোমেশনের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও সহজ হবে।কনসেশনের মেয়াদ শেষে এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান হস্তান্তরের মাধ্যমে স্থানীয় কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো হবে।এর ফলে বাংলাদেশের লজিস্টিকস সক্ষমতা বাড়ানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কনসেশন চুক্তি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ বছরের জন্য নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশ-বিডার কার্যালয়ে এ চুক্তি সই হয়। নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান এইচ ই ইসা কারিম এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান।
চুক্তি অনুযায়ী, ল্যান্ডলর্ড মডেলে এনসিটি পরিচালনা করবে ডিপি ওয়ার্ল্ড। এ ব্যবস্থায় টার্মিনালের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাতেই থাকবে। ডিপি ওয়ার্ল্ড নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য শুধু পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে।
চুক্তির ১৫ বছরে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রায় ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। এর মধ্যে অগ্রিম অর্থ পরিশোধ, টার্মিনাল আধুনিকায়ন, যন্ত্রপাতি হালনাগাদ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যয় রয়েছে। বিনিয়োগের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) হিসেবে আসবে।
এনসিটির পরিচালনা, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের দায়িত্বও থাকবে ডিপি ওয়ার্ল্ডের। কনসেশনের পুরো মেয়াদে এসব কাজে বাংলাদেশ সরকার বা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে অর্থ ব্যয় করতে হবে না।
চুক্তিতে রাজস্ব ভাগাভাগির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রতি টিইইউ কনটেইনার থেকে বন্দর কর্তৃপক্ষ রাজস্বের একটি অংশ পাবে। টার্মিনালের গড় আয় বাড়লে বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্বের অংশও বাড়বে। প্রতি টিইইউ থেকে ৪০ থেকে ৬৭ শতাংশ রয়্যালটি বা রাজস্বের অংশ পাবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চুক্তির পর এনসিটিতে কর্মরত কোনো কর্মী ছাঁটাই করা হবে না। বিদ্যমান কর্মীদের পিপিপি কাঠামোর নতুন ব্যবস্থায় পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাদের বেতন-ভাতাও কমবে না বলে জানানো হয়েছে।
ডিপি ওয়ার্ল্ড এনসিটিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও পরিবেশগত মানদণ্ড বাস্তবায়ন করবে। প্রতিষ্ঠানটির ৬০টির বেশি বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এনসিটির পরিচালন দক্ষতা বাড়ানোর কথা রয়েছে।
আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত টার্মিনাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাহাজ ও ট্রাকের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। ট্রাকের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় ধীরে ধীরে ৯০ মিনিটে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কাগজবিহীন কার্যক্রম ও অটোমেশনের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও সহজ হবে।
কনসেশনের মেয়াদ শেষে এনসিটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান হস্তান্তরের মাধ্যমে স্থানীয় কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো হবে।
এর ফলে বাংলাদেশের লজিস্টিকস সক্ষমতা বাড়ানো, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।