শুক্রবারবাংলা: ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যায় দুই আসামির ডিএনএ মিলেছে

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যায় দুই আসামির ডিএনএ মিলেছে
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামতের ডিএনএ মিলেছে। পরীক্ষায় খেজুর, শসা ও সিগারেটসহ বিভিন্ন আলামতের সঙ্গে তাঁদের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত সোয়া নয়টার দিকে ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, ডিএনএ পরীক্ষার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে রংপুর কারাগার থেকে ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে তাঁদের ডিএনএর সঙ্গে পাঠানো বিভিন্ন আলামতের নমুনার মিল পাওয়া গেছে।

সনাতন চক্রবর্তী বলেন, খেজুর, শসা ও সিগারেটসহ বিভিন্ন আলামত দুই আসামির ব্যবহৃত বলে পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁদের জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সিআইডি ও তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষক পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে ৩৫টি আলামত সংগ্রহ করে সিআইডি। ঘটনার ১২ দিন পর তিন দফায় এসব আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

আলামতগুলোর মধ্যে ছিল ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, নান রুটি, শসা ও খেজুর। এ ছাড়া বেসিনের দাগ এবং নিহত শিশু প্রিয়মের খাতায় পাওয়া একটি লেখাও সংগ্রহ করা হয়।

এর আগে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তারের নয় দিন পর সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্ট করা হয়। তবে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। এ ঘটনায় একই এলাকার প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। আসামিরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় আসামিদের বন্ধু সীমান্ত দাস, দখিগঞ্জ শ্মশানের পাহারাদার বিদ্যুৎ মোহন্ত এবং মাদক সরবরাহকারী শান্ত দাস ওরফে পুঁটি শান্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
বগুড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ৬০ বছর কারাদণ্ড

বগুড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ৬০ বছর কারাদণ্ড

বগুড়া প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দেশে এত গ্র্যাজুয়েট, তবু প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বিদেশি কর্মী কেন

দেশে এত গ্র্যাজুয়েট, তবু প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বিদেশি কর্মী কেন

ঢাকা প্রোব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা প্রোব ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।