দেশে এত গ্র্যাজুয়েট, তবু প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বিদেশি কর্মী কেন
ঢাকা প্রোব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৬ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দেশে এত গ্র্যাজুয়েট, তবু প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় বিদেশি কর্মী কেন.
দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫০ বছরের বেশি হয়ে গেছে। প্রতি বছর অসংখ্য গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে। দেশে এত গ্র্যাজুয়েট, তবু বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনায় বিদেশি কর্মী আনতে হচ্ছে কেন— এ প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি তাদের এমন প্রশ্ন করেন।এ সময় রাষ্ট্রপতি দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান।রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।সাক্ষাৎকালে ড. মো. সবুর খান বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব পেটেন্ট উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে। এটি গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট অধিকার ও বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করে।বিশ্ববিদ্যালয়টি গবেষণার পাশাপাশি প্রডাকশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড, ফিশারিজ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন কর্মমুখী বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।এসব কার্যক্রমের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বিভিন্ন র্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান ড. মো. সবুর খান।বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুনে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।সাক্ষাৎকালে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫০ বছরের বেশি হয়ে গেছে। প্রতি বছর অসংখ্য গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে। দেশে এত গ্র্যাজুয়েট, তবু বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা, বন্দর, বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি কোম্পানি পরিচালনায় বিদেশি কর্মী আনতে হচ্ছে কেন— এ প্রশ্ন তুলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি তাদের এমন প্রশ্ন করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা।
সাক্ষাৎকালে ড. মো. সবুর খান বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব পেটেন্ট উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে। এটি গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট অধিকার ও বাণিজ্যিকীকরণে সহায়তা করে।
বিশ্ববিদ্যালয়টি গবেষণার পাশাপাশি প্রডাকশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড, ফিশারিজ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন কর্মমুখী বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এসব কার্যক্রমের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বিভিন্ন র্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান ড. মো. সবুর খান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুনে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।