সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন.
বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা চলছে। এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন কানাডার লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক অ্যান কারসন। প্রাচীন ঐতিহ্যকে সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমকালীন সাহিত্যে নতুন রূপ তৈরি করার জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল প্রায় ৫টার দিকে নতুন এ নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা করে সুইডিশ অ্যাকাডেমি। গত বছর এ পুরস্কার জিতেছিলেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।অ্যান কারসন ১৯৫০ সালে কানাডার টরেন্টোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালে তিনি ক্লাসিকসের ওপর তার ডক্টরিয়াল থিসিস ‘ওদি এত আমো এরগো সাম’ প্রকাশ করেন এবং নিজের পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে কবিতা লেখা, অনুবাদ করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।তার প্রায় সব সাহিত্যকর্মের মূল বিষয়ই হলো শব্দের প্রতি ভাষাবিদের নিখুঁত গভীরতা আর নতুন অর্থ খোঁজার প্রতি কবির আকুলতার এক সুন্দর মেলবন্ধন। তিনি নিজেও বলেছেন, যেকোনো লেখা লেখার ক্ষেত্রে শব্দের মূল উৎপত্তি বা উৎস খুঁজে বের করাই হলো তার কাজের প্রথম পদক্ষেপ।প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের যেসব বই তিনি অনুবাদ করেছেন সেগুলোকে একেকটি স্বতন্ত্র সাহিত্য হিসেবেও ধরা হয়। যারমধ্যে অন্যতম হলো তার নিজের ভাষায় অনুবাদ করা প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যিক সাপফোর অসমাপ্ত কবিতার বই ‘ইফ নট, উইন্টার’ (২০০২)। এরসঙ্গে সাফপোর বিয়োগান্তক নাটক ‘ইলেক্ট্রা’ (২০০১), ‘অ্যান্টিগন’ (২০১৫) এবং ইউরিপিডিসের ‘বাক্খাই’ (২০১৫)।১৯০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১১৮ বার সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে। আর সবমিলিয়ে ১২২ সাহিত্যিক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। যারমধ্যে ১৮ জন হলেন নারী। এছাড়া চারবার যৌথভাবে একাধিক ব্যক্তিকে সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে।এর আগে বুধবার (৭ অক্টোবর) রসায়নে নোবেল পুরস্কার জিতেন দুই বিজ্ঞানী। তারা হলেন হেনরি কাগান এব কেনসো য়াই।গত ৫ অক্টোবর প্রথম দিনে চিকিৎসাক্ষেত্রে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। যৌথভাবে এ পুরস্কার জিতেছেন তিনজন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা চলছে। এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন কানাডার লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক অ্যান কারসন। প্রাচীন ঐতিহ্যকে সৃজনশীল সংলাপের মাধ্যমে সমকালীন সাহিত্যে নতুন রূপ তৈরি করার জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল প্রায় ৫টার দিকে নতুন এ নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা করে সুইডিশ অ্যাকাডেমি। গত বছর এ পুরস্কার জিতেছিলেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই।
অ্যান কারসন ১৯৫০ সালে কানাডার টরেন্টোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালে তিনি ক্লাসিকসের ওপর তার ডক্টরিয়াল থিসিস ‘ওদি এত আমো এরগো সাম’ প্রকাশ করেন এবং নিজের পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে কবিতা লেখা, অনুবাদ করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।
তার প্রায় সব সাহিত্যকর্মের মূল বিষয়ই হলো শব্দের প্রতি ভাষাবিদের নিখুঁত গভীরতা আর নতুন অর্থ খোঁজার প্রতি কবির আকুলতার এক সুন্দর মেলবন্ধন। তিনি নিজেও বলেছেন, যেকোনো লেখা লেখার ক্ষেত্রে শব্দের মূল উৎপত্তি বা উৎস খুঁজে বের করাই হলো তার কাজের প্রথম পদক্ষেপ।
প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যের যেসব বই তিনি অনুবাদ করেছেন সেগুলোকে একেকটি স্বতন্ত্র সাহিত্য হিসেবেও ধরা হয়। যারমধ্যে অন্যতম হলো তার নিজের ভাষায় অনুবাদ করা প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যিক সাপফোর অসমাপ্ত কবিতার বই ‘ইফ নট, উইন্টার’ (২০০২)। এরসঙ্গে সাফপোর বিয়োগান্তক নাটক ‘ইলেক্ট্রা’ (২০০১), ‘অ্যান্টিগন’ (২০১৫) এবং ইউরিপিডিসের ‘বাক্খাই’ (২০১৫)।
১৯০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১১৮ বার সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে। আর সবমিলিয়ে ১২২ সাহিত্যিক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। যারমধ্যে ১৮ জন হলেন নারী। এছাড়া চারবার যৌথভাবে একাধিক ব্যক্তিকে সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার (৭ অক্টোবর) রসায়নে নোবেল পুরস্কার জিতেন দুই বিজ্ঞানী। তারা হলেন হেনরি কাগান এব কেনসো য়াই।
গত ৫ অক্টোবর প্রথম দিনে চিকিৎসাক্ষেত্রে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। যৌথভাবে এ পুরস্কার জিতেছেন তিনজন।