যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের বিষয়ে ‘অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা’ চলছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা না হওয়ায় যুদ্ধের অবসান নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (২৭ জুলাই) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “ভালো সম্ভাবনা রয়েছে যে কিছু একটা ঘটতে পারে।” তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে ওয়াশিংটন আগের মতো সামরিক পদক্ষেপে ফিরে যাবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনা চলছে—এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
ট্রাম্প জানান, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর অনুরোধে তিনি ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলা স্থগিত করেছিলেন, যাতে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়। প্রায় দুই সপ্তাহের টানা সংঘাতের পর উভয় পক্ষের হামলা বন্ধ থাকায় সাময়িক বিরতি তৈরি হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদের মজুত কমে গেছে—এমন সংবাদ অস্বীকার করে ট্রাম্প বলেন, দেশটির কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে এবং প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন আরও বাড়ানো হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সব কৌশলগত লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও বেশি অস্ত্র উৎপাদনের আহ্বান জানিয়েছেন।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। পরে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও জুলাইয়ে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে।
সূত্র: বিবিসি