টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০২ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক.
গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ছাড়া শহরের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সরাইল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে,৭ নম্বর সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, "গ্রামের প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন হলে তাদের সহযোগিতায় শহর এগোবে। শহর এগিয়ে গেলে বিভাগ এবং বিভাগ এগিয়ে গেলে রাজধানীসহ পুরো দেশ এগিয়ে যাবে। জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।"তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় মানুষের সমস্যা সবচেয়ে কাছ থেকে উপলব্ধি করে, আর জেলা পরিষদ বৃহত্তর পরিসরে অবকাঠামো নির্মাণে ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন ও স্থানীয় চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু, সাধারণ সম্পাদক, সরাইল উপজেলা বিএনপি আশরাফুল করিম রিপন, সহ-সভাপতি, সরাইল উপজেলা বিএনপি নিয়াজ মোহাম্মদ বিটু, সভাপতি, সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পারভেজ আলম, সভাপতি, সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব মো. আলমগীর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব এছাড়াও অনুষ্ঠানে সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভার আগে জেলা পরিষদ প্রশাসক সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর, শাহজাদাপুর, কালীকচ্ছ, নোয়াগাঁও, সরাইল সদর ও পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন চাহিদা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনেন এবং তা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
গ্রামীণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ছাড়া শহরের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সরাইল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে,৭ নম্বর সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, "গ্রামের প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন হলে তাদের সহযোগিতায় শহর এগোবে। শহর এগিয়ে গেলে বিভাগ এবং বিভাগ এগিয়ে গেলে রাজধানীসহ পুরো দেশ এগিয়ে যাবে। জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।"
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় মানুষের সমস্যা সবচেয়ে কাছ থেকে উপলব্ধি করে, আর জেলা পরিষদ বৃহত্তর পরিসরে অবকাঠামো নির্মাণে ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন ও স্থানীয় চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্টসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু, সাধারণ সম্পাদক, সরাইল উপজেলা বিএনপি আশরাফুল করিম রিপন, সহ-সভাপতি, সরাইল উপজেলা বিএনপি নিয়াজ মোহাম্মদ বিটু, সভাপতি, সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পারভেজ আলম, সভাপতি, সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব মো. আলমগীর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক, সরাইল উপজেলা প্রেসক্লাব এছাড়াও অনুষ্ঠানে সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার আগে জেলা পরিষদ প্রশাসক সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর, শাহজাদাপুর, কালীকচ্ছ, নোয়াগাঁও, সরাইল সদর ও পানিশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে নিজ নিজ এলাকার উন্নয়ন চাহিদা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনেন এবং তা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।