সোমবারবাংলা: ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: ভারতীয় হাইকমিশনার

হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের বিকল্প ছিল না: ভারতীয় হাইকমিশনার
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের হাতে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে পঞ্চম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এর একটি অধিবেশনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, শেখ হাসিনা যখন ভারতে যান, তখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যার্পণের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বিষয়টি বুঝতে হলে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে যেতে হবে। ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ বিষয়ে বারবার বলেছেন, প্রত্যার্পণের একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আইনি বৈধতা জড়িত এবং এটি বেশ সুগঠিত।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রক্রিয়া চলমান। এর সঙ্গে আদালতের বিষয়ও জড়িত। তাই কেউ নির্দিষ্ট সময়সীমা দিতে পারবেন না।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, শেখ হাসিনাকে ভারতের বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের তৎকালীন মর্মান্তিক পরিস্থিতির কারণেই এমনটি ঘটেছিল। এমন পরিস্থিতি যেন আর কখনো না ঘটে, সেটিই আশা ও প্রার্থনা। পৃথিবীর যে প্রান্তেই নির্দোষ মানুষ নিহত হোক না কেন, তা কাম্য নয়।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, শেখ হাসিনাকে বহনকারী সামরিক বিমানটি ভারতে এসেছিল। এর জন্য ভারত প্রস্তুত ছিল না। তিনি তখন টেলিভিশনে খবর দেখছিলেন। সেখানে স্ক্রলে বলা হচ্ছিল, শেখ হাসিনা অন্য কোনো দেশে যাচ্ছেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সেই সময় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রতিবেশী হিসেবে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া ভারতের দায়িত্ব ছিল। এ ক্ষেত্রে ভারতের হাতে তেমন কোনো বিকল্প ছিল না।

তিনি বলেন, অনেক সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার জন্য কেউ প্রস্তুত থাকে না। ভারত যদি বলত, তারা শেখ হাসিনাকে গ্রহণ করবে না বা বিমান অবতরণের অনুমতি দেবে না, তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াত, তা বলা কঠিন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এটাই ছিল ওই সময়ের ঐতিহাসিক বাস্তবতা। তবে শেখ হাসিনার প্রত্যার্পণের বিষয়টি আলাদা। এ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, ভারতও বাংলাদেশের মতো একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ। বাংলাদেশও আইনি ব্যবস্থাকে সম্মান করবে বলে তিনি আশা করেন। আইনি ব্যবস্থা তার নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।