আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবেন প্রধানমন্ত্রী
alamin dhakaprobe
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪২ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবেন প্রধানমন্ত্রী.
আজ ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেবেন।দিবসটি উপলক্ষে আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কেন্দ্রীয় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষকদের প্রত্যেককে নগদ দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হবে।এবারই প্রথম প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১০০ শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ দেওয়া হচ্ছে। এর আগে জাতীয় পর্যায়ে ১২ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হতো। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১০০ করা হয়েছে।শিক্ষকদের অবদান স্মরণ এবং তাঁদের যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়াই বিশ্ব শিক্ষক দিবসের মূল লক্ষ্য। ইউনেসকোর উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।এ বছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো: পেশা সুরক্ষার ৬০ বছর, মর্যাদা উন্নয়ন এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠন।’এ বছর কেন বিশেষ২০২৬ সালের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এ বছর শিক্ষকদের মর্যাদা-সংক্রান্ত ১৯৬৬ সালের আন্তর্জাতিক সুপারিশমালার ৬০ বছর পূর্ণ হচ্ছে।১৯৬৬ সালের ওই সুপারিশে শিক্ষকদের অধিকার ও দায়িত্বের পাশাপাশি পেশাগত প্রস্তুতি, নিয়োগ, কর্মপরিবেশ ও শিক্ষাদানের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়।বর্তমানে শিক্ষকতা পেশা নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুতির মতো বিষয় শিক্ষকদের কাজেও প্রভাব ফেলছে।এ কারণে শিক্ষকদের সামাজিক, পেশাগত ও অর্থনৈতিক মর্যাদা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ইউনেসকো।১০০ শিক্ষক যেভাবে নির্বাচিতশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুণী শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে এবার সম্মাননার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকদের এ স্বীকৃতির আওতায় আনা হয়েছে।এবার প্রাথমিক স্তরে ১০ জন, মাধ্যমিক স্তরে ২০ জন, কলেজে ২৫ জন এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ জন শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন।এ ছাড়া মেডিক্যাল কলেজে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোটায় সম্মাননা পাচ্ছেন আরও পাঁচজন। সব মিলিয়ে এবার জাতীয় পর্যায়ে ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পৃথক অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে। এসব কমিটি গুণী শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে।পরে জাতীয় পরিচালনা কমিটি তালিকাগুলো যাচাই-বাছাই করে ১০০ জন শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে।বাংলাদেশে দিবসটির আয়োজনবাংলাদেশে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও জোরালো হয়েছে। ২০২২ সালে দেশব্যাপী শিক্ষক দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে জাতীয় পর্যায়েও দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।পরে মন্ত্রিসভার বার্ষিক ক্যালেন্ডারে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।ইউনেসকোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব শিক্ষক দিবস শুধু শিক্ষকদের সম্মান জানানোর দিন নয়। এ দিন শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার, কর্মপরিবেশ এবং শিক্ষাব্যবস্থায় তাঁদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।যেভাবে শুরু বিশ্ব শিক্ষক দিবসবিশ্ব শিক্ষক দিবসের ইতিহাস ১৯৬৬ সাল থেকে। ওই বছরের ৫ অক্টোবর প্যারিসে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও ইউনেসকোর যৌথ বিশেষ সম্মেলনে শিক্ষকদের মর্যাদা-সংক্রান্ত ঐতিহাসিক সুপারিশমালা গৃহীত হয়।এর ২৮ বছর পর, ১৯৯৪ সালে প্রথমবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।প্রতিবছর আলাদা প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে শিক্ষকদের ভূমিকা, অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত চ্যালেঞ্জ সামনে আনা হয়।এ বছর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের বৈশ্বিক আয়োজন হচ্ছে ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেসকোর সদর দপ্তরে। সেখানে শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হবে। একই অনুষ্ঠানে শিক্ষক উন্নয়নে ইউনেসকো-হামদান পুরস্কারও দেওয়া হবে।বাংলাদেশেও জাতীয় পর্যায়ের সম্মাননার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এবার ১০০ জন শিক্ষককে জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষকদের অবদানকে আরও বিস্তৃত পরিসরে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
আজ ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ে ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেবেন।
দিবসটি উপলক্ষে আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কেন্দ্রীয় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিক্ষকদের প্রত্যেককে নগদ দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হবে।
এবারই প্রথম প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের ১০০ শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ দেওয়া হচ্ছে। এর আগে জাতীয় পর্যায়ে ১২ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হতো। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১০০ করা হয়েছে।
শিক্ষকদের অবদান স্মরণ এবং তাঁদের যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়াই বিশ্ব শিক্ষক দিবসের মূল লক্ষ্য। ইউনেসকোর উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
এ বছরের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো: পেশা সুরক্ষার ৬০ বছর, মর্যাদা উন্নয়ন এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠন।’
এ বছর কেন বিশেষ
২০২৬ সালের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এ বছর শিক্ষকদের মর্যাদা-সংক্রান্ত ১৯৬৬ সালের আন্তর্জাতিক সুপারিশমালার ৬০ বছর পূর্ণ হচ্ছে।
১৯৬৬ সালের ওই সুপারিশে শিক্ষকদের অধিকার ও দায়িত্বের পাশাপাশি পেশাগত প্রস্তুতি, নিয়োগ, কর্মপরিবেশ ও শিক্ষাদানের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়।
বর্তমানে শিক্ষকতা পেশা নানা ধরনের নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, জলবায়ু পরিবর্তন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুতির মতো বিষয় শিক্ষকদের কাজেও প্রভাব ফেলছে।
এ কারণে শিক্ষকদের সামাজিক, পেশাগত ও অর্থনৈতিক মর্যাদা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ইউনেসকো।
১০০ শিক্ষক যেভাবে নির্বাচিত
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুণী শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি এবং পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে এবার সম্মাননার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকদের এ স্বীকৃতির আওতায় আনা হয়েছে।
এবার প্রাথমিক স্তরে ১০ জন, মাধ্যমিক স্তরে ২০ জন, কলেজে ২৫ জন এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ জন শিক্ষক সম্মাননা পাচ্ছেন।
এ ছাড়া মেডিক্যাল কলেজে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোটায় সম্মাননা পাচ্ছেন আরও পাঁচজন। সব মিলিয়ে এবার জাতীয় পর্যায়ে ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পৃথক অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে। এসব কমিটি গুণী শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে।
পরে জাতীয় পরিচালনা কমিটি তালিকাগুলো যাচাই-বাছাই করে ১০০ জন শিক্ষককে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে।
বাংলাদেশে দিবসটির আয়োজন
বাংলাদেশে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও জোরালো হয়েছে। ২০২২ সালে দেশব্যাপী শিক্ষক দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে জাতীয় পর্যায়েও দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়।
পরে মন্ত্রিসভার বার্ষিক ক্যালেন্ডারে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ইউনেসকোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব শিক্ষক দিবস শুধু শিক্ষকদের সম্মান জানানোর দিন নয়। এ দিন শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার, কর্মপরিবেশ এবং শিক্ষাব্যবস্থায় তাঁদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
যেভাবে শুরু বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের ইতিহাস ১৯৬৬ সাল থেকে। ওই বছরের ৫ অক্টোবর প্যারিসে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও ইউনেসকোর যৌথ বিশেষ সম্মেলনে শিক্ষকদের মর্যাদা-সংক্রান্ত ঐতিহাসিক সুপারিশমালা গৃহীত হয়।
এর ২৮ বছর পর, ১৯৯৪ সালে প্রথমবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
প্রতিবছর আলাদা প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে শিক্ষকদের ভূমিকা, অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত চ্যালেঞ্জ সামনে আনা হয়।
এ বছর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের বৈশ্বিক আয়োজন হচ্ছে ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেসকোর সদর দপ্তরে। সেখানে শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হবে। একই অনুষ্ঠানে শিক্ষক উন্নয়নে ইউনেসকো-হামদান পুরস্কারও দেওয়া হবে।
বাংলাদেশেও জাতীয় পর্যায়ের সম্মাননার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এবার ১০০ জন শিক্ষককে জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষকদের অবদানকে আরও বিস্তৃত পরিসরে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।