রিয়াদে আরামকো স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার দাবি হুতিদের
alamin dhakaprobe
রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৫ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
রিয়াদে আরামকো স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার দাবি হুতিদের.
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী।শনিবার (৩ অক্টোবর) ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকায় সৌদি হামলার জবাবে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। তবে হুতিদের এই দাবির বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামলার দাবি করেন।তিনি বলেন, অভিযানটি ‘সফলভাবে লক্ষ্য অর্জন করেছে’। হামলার পর লক্ষ্যবস্তুতে আগুন ধরে যায় বলেও দাবি করেন তিনি।ইয়াহিয়া সারি আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সানা ও ইয়েমেনের অন্যান্য প্রদেশে ৬০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে মোট হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২০টিতে। এসব হামলার জন্য তিনি সৌদি আরবকে দায়ী করেন।হুতিদের এই মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে এবং হামলার জবাব হামলা করেই দেওয়া হবে।’তবে রিয়াদে হামলার বিষয়ে হুতিদের দাবি নাকচ করেছেন ইয়েমেনের সরকারের সমর্থনে গঠিত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি। সৌদি গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি হুতিদের দাবি ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেন।তুর্কি আল-মালিকি বলেন, হুতিরা নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে আনা বিদেশি স্বার্থের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিষয়টিও আড়াল করতে চাইছে তারা।২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। জোটটি হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির আরও কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।চলতি বছরের জুলাইয়ে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি, ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে সৌদি নৌ ও বিমান অবরোধের জবাব হিসেবে তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে।এরপর থেকে ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালানোর দাবি করে আসছে।সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইয়েমেন-সৌদি সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকায় সৌদি হামলার জবাবে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। তবে হুতিদের এই দাবির বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বা আরামকোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামলার দাবি করেন।
তিনি বলেন, অভিযানটি ‘সফলভাবে লক্ষ্য অর্জন করেছে’। হামলার পর লক্ষ্যবস্তুতে আগুন ধরে যায় বলেও দাবি করেন তিনি।
ইয়াহিয়া সারি আরও দাবি করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সানা ও ইয়েমেনের অন্যান্য প্রদেশে ৬০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে মোট হামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২০টিতে। এসব হামলার জন্য তিনি সৌদি আরবকে দায়ী করেন।
হুতিদের এই মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে এবং হামলার জবাব হামলা করেই দেওয়া হবে।’
তবে রিয়াদে হামলার বিষয়ে হুতিদের দাবি নাকচ করেছেন ইয়েমেনের সরকারের সমর্থনে গঠিত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি। সৌদি গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি হুতিদের দাবি ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেন।
তুর্কি আল-মালিকি বলেন, হুতিরা নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে আনা বিদেশি স্বার্থের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিষয়টিও আড়াল করতে চাইছে তারা।
২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। জোটটি হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশটির আরও কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
চলতি বছরের জুলাইয়ে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি, ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে সৌদি নৌ ও বিমান অবরোধের জবাব হিসেবে তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
এরপর থেকে ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালানোর দাবি করে আসছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ইয়েমেন-সৌদি সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।