ডারউইনের বাউন্সি উইকেটে নতুন বলের ফায়দা শুরু থেকেই দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে বাংলাদেশের পেসাররা। তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে একের পর এক উইকেট হারিয়ে প্রথম সেশনেই চাপে পড়ে গেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। লাঞ্চের বিরতিতে যাওয়ার সময় ২২ ওভারে ৪ উইকেটে ৭৪ রান তাদের সংগ্রহে।
দুই প্রান্ত থেকেই সুইং ও বাড়তি বাউন্স আদায় করে শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের অস্বস্তিতে রাখেন হাসান মাহমুদ। তার করা তৃতীয় ওভারে অবশ্য ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান ট্রাভিস হেড। তবে চাপ ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত সাফল্যও এনে দেন এই পেসার।
১২তম ওভারে অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দেন উদ্বোধনী ব্যাটার। ২৩ রানে হেডের বিদায়ে ভাঙে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি। নিজের পরের ওভারেই আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেডকে ২২ রানে বোল্ড করে অস্ট্রেলিয়াকে আরও বিপদে ফেলেন হাসান।
এরপর ১৭তম ওভারে এবাদত হোসেনের বলে স্লিপে স্টিভেন স্মিথের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন তানজিদ হাসান তামিম। তবে সেই সুযোগের মাশুল দিতে হয়নি বাংলাদেশকে। পরের ওভারেই মার্নাস লাবুশেনকে মাত্র ১ রানে দ্বিতীয় স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ বানিয়ে নিজের প্রথম উইকেট তুলে নেন এবাদত।
দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া যখন চাপে, তখন পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেন ক্যামেরন গ্রিন। তাসকিন আহমেদের করা ২২তম ওভারের প্রথম বলেই ডিপ স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক বার্তা দেন তিনি।
তবে পরের বল থেকেই শর্ট বলের ফাঁদে অস্ট্রেলিয়াকে আটকে দেয় বাংলাদেশ। ওভারের শেষ খাটো লেংথের বলটি অন সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন গ্রিন। ১৩ রানে তার বিদায়ের পরই প্রথম সেশনের খেলা শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
লাঞ্চে যাওয়ার সময় ২২ ওভারে ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়া তখন স্পষ্টতই ব্যাকফুটে। বাংলাদেশের পেসারদের দাপটে প্রথম সেশনটি নিজেদের করে নিয়েছে টাইগাররা।