ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলারকে নির্বাচন করা হয় যেভাবে.
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, তা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে চলছে নানা আলোচনা। পুরস্কার ঘোষণার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সামনে আসছে একটি পুরোনো প্রশ্ন—সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে আসলে কোন বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়? গোল-অ্যাসিস্ট ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, নাকি দলের হয়ে জেতা ট্রফি?ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে কোনো একটি পরিসংখ্যানই শেষ কথা নয়। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলীয় সাফল্য, মাঠের আচরণ ও ফেয়ার প্লেকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়।যেভাবে নির্বাচিত হন বিজয়ীব্যালন ডি’অর আয়োজন করে ফ্রান্স ফুটবল। ২০২৪ সাল থেকে উয়েফা এই আয়োজনে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত হয়েছে।প্রথমে ৩০ জন খেলোয়াড়ের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর ফিফা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০০ দেশের প্রত্যেকটি থেকে একজন করে বিশেষায়িত সাংবাদিক ভোট দেন।প্রতিটি ভোটার ৩০ জনের তালিকা থেকে নিজের পছন্দের সেরা ১০ খেলোয়াড়কে ক্রমানুসারে বেছে নেন। অবস্থান অনুযায়ী দেওয়া হয় পয়েন্ট—প্রথম: ১৫ পয়েন্টদ্বিতীয়: ১২ পয়েন্টতৃতীয়: ১০ পয়েন্টচতুর্থ: ৮ পয়েন্টপঞ্চম: ৭ পয়েন্টষষ্ঠ: ৫ পয়েন্টসপ্তম: ৪ পয়েন্টঅষ্টম: ৩ পয়েন্টনবম: ২ পয়েন্টদশম: ১ পয়েন্টসব ভোটের পয়েন্ট যোগ করার পর সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়া খেলোয়াড়ই জেতেন ব্যালন ডি’অর।দুই বা ততোধিক খেলোয়াড় সমান পয়েন্ট পেলে প্রথমে দেখা হয়, কে সবচেয়ে বেশি প্রথম পছন্দের ভোট পেয়েছেন। সেখানেও সমতা থাকলে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং পরবর্তী অবস্থানের ভোট ধারাবাহিকভাবে বিবেচনা করা হয়।যে তিনটি বিষয় বিবেচনায় থাকেব্যক্তিগত পারফরম্যান্সব্যালন ডি’অর বিবেচনায় একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অন্যতম প্রধান বিষয়। মাঠে তার প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অবদান এবং পুরো মৌসুমে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা এখানে গুরুত্ব পায়।দলীয় সাফল্য।ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে অর্জনও ব্যালন ডি’অরের মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে শুধু ট্রফি জেতাই যথেষ্ট নয়; সেই সাফল্যে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত অবদানও বিবেচনা করা হয়।আচরণ ও ফেয়ার প্লে।মাঠে খেলোয়াড়ের আচরণ, খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা এবং ফেয়ার প্লের বিষয়টিও মূল্যায়নের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ও দলীয় পারফরম্যান্সের পাশাপাশি একজন খেলোয়াড়ের সামগ্রিক ক্রীড়াসুলভ আচরণও বিবেচনায় রাখা হয়।এবার প্যারিসের বাইরে ব্যালন ডি’অরএবারের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান প্যারিসের পরিবর্তে ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পুরস্কারটির ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।২০১৯ সালের পর থেকে নিয়মিতভাবে প্যারিসের থিয়েটার দ্যু শাতলেতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের জমকালো আয়োজন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর কার হাতে উঠবে, তা নিয়ে ফুটবলবিশ্বে চলছে নানা আলোচনা। পুরস্কার ঘোষণার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই সামনে আসছে একটি পুরোনো প্রশ্ন—সেরা খেলোয়াড় নির্বাচনে আসলে কোন বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়? গোল-অ্যাসিস্ট ও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, নাকি দলের হয়ে জেতা ট্রফি?
ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে কোনো একটি পরিসংখ্যানই শেষ কথা নয়। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দলীয় সাফল্য, মাঠের আচরণ ও ফেয়ার প্লেকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়।
যেভাবে নির্বাচিত হন বিজয়ী
ব্যালন ডি’অর আয়োজন করে ফ্রান্স ফুটবল। ২০২৪ সাল থেকে উয়েফা এই আয়োজনে সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
প্রথমে ৩০ জন খেলোয়াড়ের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর ফিফা র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০০ দেশের প্রত্যেকটি থেকে একজন করে বিশেষায়িত সাংবাদিক ভোট দেন।
প্রতিটি ভোটার ৩০ জনের তালিকা থেকে নিজের পছন্দের সেরা ১০ খেলোয়াড়কে ক্রমানুসারে বেছে নেন। অবস্থান অনুযায়ী দেওয়া হয় পয়েন্ট—
প্রথম: ১৫ পয়েন্ট
দ্বিতীয়: ১২ পয়েন্ট
তৃতীয়: ১০ পয়েন্ট
চতুর্থ: ৮ পয়েন্ট
পঞ্চম: ৭ পয়েন্ট
ষষ্ঠ: ৫ পয়েন্ট
সপ্তম: ৪ পয়েন্ট
অষ্টম: ৩ পয়েন্ট
নবম: ২ পয়েন্ট
দশম: ১ পয়েন্ট
সব ভোটের পয়েন্ট যোগ করার পর সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়া খেলোয়াড়ই জেতেন ব্যালন ডি’অর।
দুই বা ততোধিক খেলোয়াড় সমান পয়েন্ট পেলে প্রথমে দেখা হয়, কে সবচেয়ে বেশি প্রথম পছন্দের ভোট পেয়েছেন। সেখানেও সমতা থাকলে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং পরবর্তী অবস্থানের ভোট ধারাবাহিকভাবে বিবেচনা করা হয়।
যে তিনটি বিষয় বিবেচনায় থাকে
ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স
ব্যালন ডি’অর বিবেচনায় একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অন্যতম প্রধান বিষয়। মাঠে তার প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অবদান এবং পুরো মৌসুমে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা এখানে গুরুত্ব পায়।
দলীয় সাফল্য।
ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে অর্জনও ব্যালন ডি’অরের মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে শুধু ট্রফি জেতাই যথেষ্ট নয়; সেই সাফল্যে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত অবদানও বিবেচনা করা হয়।
আচরণ ও ফেয়ার প্লে।
মাঠে খেলোয়াড়ের আচরণ, খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা এবং ফেয়ার প্লের বিষয়টিও মূল্যায়নের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ও দলীয় পারফরম্যান্সের পাশাপাশি একজন খেলোয়াড়ের সামগ্রিক ক্রীড়াসুলভ আচরণও বিবেচনায় রাখা হয়।
এবার প্যারিসের বাইরে ব্যালন ডি’অর
এবারের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান প্যারিসের পরিবর্তে ২৬ অক্টোবর লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পুরস্কারটির ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভেন্যু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০১৯ সালের পর থেকে নিয়মিতভাবে প্যারিসের থিয়েটার দ্যু শাতলেতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের জমকালো আয়োজন।