সোমবারবাংলা: ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
ছবি সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মৌখিক পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) ডাকবাংলোয় ডেকে পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি নির্দেশনায় স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ থাকলেও নিয়োগ কমিটিতে দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিকে সদস্য করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ঘাটাইল পৌরসভা ও উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহকারীর ১৭৭টি পদের বিপরীতে ১ হাজার ২৯৯টি এবং সুপারভাইজারের ১৮টি পদের বিপরীতে ১৬৭টি আবেদন জমা পড়ে। গত ২৯ জুলাই উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে দিনব্যাপী প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির নিয়োগে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সরাসরি হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক সুপারিশ প্রতিহত করতে ব্যর্থ হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদস্যসচিবকে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পাপিয়া এবং বিএনপির এক নেতা পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর পরিবর্তন করে পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার জন্য চাপ দেন। এ উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনওর ডাকবাংলোয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ডেকে নেওয়া হয় বলেও তাঁরা দাবি করেন। তাঁদের অভিযোগ, অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে এ ধরনের তৎপরতা পরিচালনার চেষ্টা করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ইউএনওর নির্দেশনায় ডাকবাংলোয় বসে পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম প্রস্তুত করা হচ্ছে। কাউকে কোনো ধরনের চাপ দেওয়া হয়নি। ইউএনও কার্যালয়ে লোকসমাগম বেশি থাকায় গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডাকবাংলোয় বসে কাজ করা হচ্ছে।

এদিকে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিয়োগ কমিটিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগও উঠেছে। কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সদস্যসচিব উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পাপিয়া ও বর্তমান বিআরডিপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ।

পাপিয়া বলেন, “ইউএনও আমাকে নিয়োগ কমিটিতে রেখেছেন যাতে কোনো অভিযোগ না ওঠে। সময়ের স্বল্পতার কারণে ডাকবাংলোয় বসে সবাই মিলে কাজ করেছি। স্বচ্ছতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হবে।”

হারুন অর রশিদ বলেন, “কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। কাউকে কোনো চাপ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ থাকলে লিখিতভাবে নাম-ঠিকানাসহ দিতে হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। পরে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ ও জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
টেকসই আবাসন শুধু ঘর নয়, নাগরিক সুবিধাও: প্রধানমন্ত্রী

টেকসই আবাসন শুধু ঘর নয়, নাগরিক সুবিধাও: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ইথিওপিয়া-ইরিত্রিয়া উত্তেজনা: নতুন যুদ্ধ কি আসন্ন, নাকি কূটনীতিতে ঠেকানো সম্ভব

ইথিওপিয়া-ইরিত্রিয়া উত্তেজনা: নতুন যুদ্ধ কি আসন্ন, নাকি কূটনীতিতে ঠেকানো সম্ভব

সঞ্জয় মজুমদার, বিশেষ প্রতিনিধি
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।