ইতালির শ্রমবাজারে ২০২৭ সালে বাংলাদেশিদের জন্যও বড় সুযোগ
alamin dhakaprobe
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ইতালির শ্রমবাজারে ২০২৭ সালে বাংলাদেশিদের জন্যও বড় সুযোগ.
বিদেশি কর্মীদের জন্য বড় পরিসরে শ্রমবাজার খুলছে ইতালি। দেশটির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ‘ডিক্রেতো ফ্লুসি’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়া হবে।এই কর্মসূচিতে তিন ধরনের কাজের সুযোগ থাকছে। এগুলো হলো অমৌসুমি, মৌসুমি ও স্বনিয়োজিত কাজ।ইতালির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের কোটায় ৭৬ হাজার ২০০ জনকে অমৌসুমি কাজে নেওয়া হবে। কৃষি ও পর্যটন খাতে মৌসুমি কাজে নেওয়া হবে ৮৯ হাজার জনকে। আর স্বনিয়োজিত কাজের জন্য রাখা হয়েছে ৬৫০টি কোটা।অমৌসুমি কোটার মধ্যে পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা বা কেয়ারগিভিং খাতের জন্য রাখা হয়েছে ১৪ হাজার স্থান।এই কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশও যোগ্য দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে। ইতালির সরকারি তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, নেপালসহ বিভিন্ন শ্রমবাজারের দেশের নাগরিকদের জন্য কোটা রাখা হয়েছে। আফ্রিকার কয়েকটি দেশের নাগরিকরাও এই সুযোগ পাবেন।আবেদন প্রক্রিয়া শুরু অক্টোবরে২০২৭ সালের কোটার জন্য আবেদনপত্র প্রাক-পূরণ বা ‘প্রিকম্পাইলেশন’ শুরু হবে ২৩ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ৯টায়। এই প্রক্রিয়া চলবে ৭ ডিসেম্বর ২০২৬ রাত ৮টা পর্যন্ত।আবেদন করতে হবে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Portale Servizi ALI প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।তবে সাধারণভাবে বিদেশি কর্মীরা নিজেরা সরাসরি এই কোটায় আবেদন করেন না। ইতালিতে থাকা নিয়োগকর্তা বা অনুমোদিত প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্মীর জন্য চাকরির অনুমোদন বা nulla osta চেয়ে আবেদন করেন।অনুমোদন পাওয়ার পর কর্মী নিজ দেশে ইতালীয় দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে কাজের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।খাতভেদে ‘ক্লিক ডে’ আলাদা২০২৭ সালের ‘ক্লিক ডে’ খাতভেদে আলাদা দিনে নির্ধারণ করা হয়েছে।কৃষি খাতের মৌসুমি কর্মীদের আবেদন শুরু হবে ১২ জানুয়ারি ২০২৭। পর্যটন খাতের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি। অমৌসুমি কাজের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা খাতের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি আবেদন জমা শুরু হবে।প্রতিটি ক্ষেত্রেই আবেদন শুরু হবে ইতালির স্থানীয় সময় সকাল ৯টায়। কোটা অবশিষ্ট থাকা সাপেক্ষে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যাবে।ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮—এই তিন বছরে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০, ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ এবং ২০২৮ সালে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।তবে কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আবেদন কেবল বৈধ নিয়োগকর্তা ও সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগোয়। তাই চাকরি বা ভিসার নামে কোনো ব্যক্তি বা দালালকে অর্থ দেওয়ার আগে নিয়োগপত্র, নিয়োগকর্তা এবং nulla osta–র সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বিদেশি কর্মীদের জন্য বড় পরিসরে শ্রমবাজার খুলছে ইতালি। দেশটির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ‘ডিক্রেতো ফ্লুসি’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়া হবে।
এই কর্মসূচিতে তিন ধরনের কাজের সুযোগ থাকছে। এগুলো হলো অমৌসুমি, মৌসুমি ও স্বনিয়োজিত কাজ।
ইতালির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের কোটায় ৭৬ হাজার ২০০ জনকে অমৌসুমি কাজে নেওয়া হবে। কৃষি ও পর্যটন খাতে মৌসুমি কাজে নেওয়া হবে ৮৯ হাজার জনকে। আর স্বনিয়োজিত কাজের জন্য রাখা হয়েছে ৬৫০টি কোটা।
অমৌসুমি কোটার মধ্যে পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা বা কেয়ারগিভিং খাতের জন্য রাখা হয়েছে ১৪ হাজার স্থান।
এই কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশও যোগ্য দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে। ইতালির সরকারি তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, নেপালসহ বিভিন্ন শ্রমবাজারের দেশের নাগরিকদের জন্য কোটা রাখা হয়েছে। আফ্রিকার কয়েকটি দেশের নাগরিকরাও এই সুযোগ পাবেন।
আবেদন প্রক্রিয়া শুরু অক্টোবরে
২০২৭ সালের কোটার জন্য আবেদনপত্র প্রাক-পূরণ বা ‘প্রিকম্পাইলেশন’ শুরু হবে ২৩ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ৯টায়। এই প্রক্রিয়া চলবে ৭ ডিসেম্বর ২০২৬ রাত ৮টা পর্যন্ত।
আবেদন করতে হবে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের Portale Servizi ALI প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে।
তবে সাধারণভাবে বিদেশি কর্মীরা নিজেরা সরাসরি এই কোটায় আবেদন করেন না। ইতালিতে থাকা নিয়োগকর্তা বা অনুমোদিত প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট কর্মীর জন্য চাকরির অনুমোদন বা nulla osta চেয়ে আবেদন করেন।
অনুমোদন পাওয়ার পর কর্মী নিজ দেশে ইতালীয় দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে কাজের ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
খাতভেদে ‘ক্লিক ডে’ আলাদা
২০২৭ সালের ‘ক্লিক ডে’ খাতভেদে আলাদা দিনে নির্ধারণ করা হয়েছে।
কৃষি খাতের মৌসুমি কর্মীদের আবেদন শুরু হবে ১২ জানুয়ারি ২০২৭। পর্যটন খাতের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি। অমৌসুমি কাজের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং পরিবারভিত্তিক পরিচর্যা খাতের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি আবেদন জমা শুরু হবে।
প্রতিটি ক্ষেত্রেই আবেদন শুরু হবে ইতালির স্থানীয় সময় সকাল ৯টায়। কোটা অবশিষ্ট থাকা সাপেক্ষে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত আবেদন জমা দেওয়া যাবে।
ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮—এই তিন বছরে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০, ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ এবং ২০২৮ সালে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আবেদন কেবল বৈধ নিয়োগকর্তা ও সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগোয়। তাই চাকরি বা ভিসার নামে কোনো ব্যক্তি বা দালালকে অর্থ দেওয়ার আগে নিয়োগপত্র, নিয়োগকর্তা এবং nulla osta–র সত্যতা যাচাই করা জরুরি।