ছুটির দিনে বগুড়া ও সিলেটে সড়কে ঝরল ১৬ প্রাণ.
সরকারি ছুটির দিনে বগুড়া ও সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর থেকে সকাল ৭টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের এরুলিয়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস সড়কের পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এ সময় পাশে বেশ কয়েকজন শ্রমিক দাঁড়িয়ে ছিলেন। বাসটি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজনসহ মোট সাতজন প্রাণ হারান। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, গাইবান্ধার আমিরুল, নূর আলম, বেলাল ও জয়পুরহাটের তাজমুল। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বগুড়া সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, সকালে ঢাকা থেকে নওগাঁর উদ্দেশে ছেড়ে আসা শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় সড়কের পাশে অবস্থানরত দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের ওপর বাসটি উঠে যায়।তিনি জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিনজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অন্তত ২০ জনকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।হাসপাতাল সূত্র জানায়, সেখানে চিকিৎসাধীন চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একজনের মরদেহ স্বজনরা নিয়ে গেছেন। অন্য তিনজনের মরদেহ হাসপাতালে রাখা আছে।এ ছাড়া সিলেটে সকাল ৭টা ১০ মিনেট ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বেঙ্গল স্লিপার কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই বাসের ৭ যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালান। ওসমানীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ, ওসমানীনগর থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। নিহতদের মরদেহ শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সরকারি ছুটির দিনে বগুড়া ও সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর থেকে সকাল ৭টার মধ্যে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের এরুলিয়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস সড়কের পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এ সময় পাশে বেশ কয়েকজন শ্রমিক দাঁড়িয়ে ছিলেন। বাসটি তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজনসহ মোট সাতজন প্রাণ হারান। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, গাইবান্ধার আমিরুল, নূর আলম, বেলাল ও জয়পুরহাটের তাজমুল। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, সকালে ঢাকা থেকে নওগাঁর উদ্দেশে ছেড়ে আসা শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় সড়কের পাশে অবস্থানরত দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের ওপর বাসটি উঠে যায়।
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিনজনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অন্তত ২০ জনকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, সেখানে চিকিৎসাধীন চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একজনের মরদেহ স্বজনরা নিয়ে গেছেন। অন্য তিনজনের মরদেহ হাসপাতালে রাখা আছে।
এ ছাড়া সিলেটে সকাল ৭টা ১০ মিনেট ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বেঙ্গল স্লিপার কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই বাসের ৭ যাত্রীর মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালান।
ওসমানীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ, ওসমানীনগর থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। নিহতদের মরদেহ শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।