আশুগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে ঘর নির্মাণে বাধা, হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া ইউনিয়নে প্রায় ২০-২৭ শতাংশ জমির মালিকানা ও দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এক মাস ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে জমিতে ঘর নির্মাণ, সীমানা নির্ধারণে বাধা, মারধরের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, এমন আশঙ্কা করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অভিযোগকারী সেন্টু সাদির।শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জামাল হোসেন প্রতিবেদককে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সেন্টু সাদির আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে তিনি লিটন মিয়া, চায়না বেগম, রাশেদা বেগম ও রিফাত মিয়াকে দায়ী করেছেন। এর আগে একই বিষয়ে আশুগঞ্জ থানায়ও অভিযোগ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে দুটি মামলা হয়েছে এবং তাদের পক্ষের তিনজন ‘মিথ্যা মামলার’ শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এর মধ্যে একজন প্রবাসী৷ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তারুয়া মৌজার খতিয়ান নং-৩৫০২, দাগ নং-৫০৭-এর ২৭ শতাংশ জমি সেন্টু সাদিরের ভাতিজা সোহাগ মাহমুদ ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, বিবাদীপক্ষ ওই জমির মধ্যে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করেছে।অভিযোগকারী সেন্টু সাদির বলেন, ‘আমরা জমিতে সীমানা নির্ধারণ করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করতে গেলে বিবাদীপক্ষ লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের মারধর করতে আসে। প্রাণের ভয়ে আমরা বাড়ির ভেতরে চলে যাই। পরে বাড়িতে এসে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।’তিনি অভিযোগ করেন, বিবাদীপক্ষের লোকজন কোনো কথা শুনতে চায় না এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধ ও ঝগড়া সৃষ্টি করছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানানো হলেও সমাধান হয়নি বলে তাঁর দাবি।অভিযোগকারী সেন্টু সাদির দাবি করেন, বিবাদীদের একজন লিটন মিয়া সৌদি আরবপ্রবাসী এবং তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে লিটন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন।সেন্টু সাদির আরও অভিযোগ করেন, লিটন মিয়ার ভাগিনা রিফাত কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম ও প্রভাব বিস্তার করে। একই সঙ্গে লিটনের বোন চায়না বেগমের বিরুদ্ধে ‘হানিট্র্যাপের’ মাধ্যমে বিভিন্ন ছেলের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।অভিযোগকারী বলেন, ‘তাদের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা চলছে। তারা কারও কথা শুনছে না। বরং ইচ্ছা করেই ঝগড়া-বিবাদ বাড়িয়ে তুলছে।’ ‘হানিট্র্যাপ’ ও কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত এসব অভিযোগেরও স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেন্টু সাদির বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লিটন মিয়া মোবাইল ফোনে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। এসব কথোপকথনের রেকর্ড তাঁর কাছে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, ‘আমাকে স্পষ্টভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এরপরও যদি তারা হামলা করে, তাহলে এর দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।’সোহাগ মাহমুদের পরিবার জানায়, তাঁর বাবা প্রয়াত কায়েম সাদির ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার। পরিবারের দাবি, বিবাদীপক্ষের দীর্ঘদিনের হুমকি, ভয়ভীতি ও বিরোধের কারণে তিনি মানসিক চাপে পড়ে দুইবার স্ট্রোক করেন৷ এসব বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সোহাগ মাহমুদকে হুমকি দেওয়ার পর তাঁর মা হাসনা বেগম বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে স্ট্রোক করে মারা গেছেন৷ পরিবারের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ, হুমকি ও দীর্ঘদিনের মানসিক চাপই তাঁদের অসুস্থতার অন্যতম কারণ।সেন্টু সাদিরের অভিযোগ, বিবাদীপক্ষের হুমকি ও হয়রানির কারণে সোহাগ মাহমুদের পরিবার স্বাভাবিকভাবে বাড়িতে থাকতে পারছে না। বর্তমানে তিনি ও তাঁর ভাই খোকন সাদির বাড়িতে অবস্থান করলেও তারা নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জায়গা বুঝে নিতে চাই। কিন্তু তারা জায়গা ছাড়ছে না, গাছ কাটছে না, আবার আমাদেরও কাজ করতে দিচ্ছে না। বারবার বলা সত্ত্বেও তারা বিষয়টি সমাধান না করে ইচ্ছাকৃতভাবে ঝামেলা জিইয়ে রাখছে।’ এ ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্টু সাদির। পাশাপাশি জমি ও বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে দুটি মামলা করা হয়েছে। তাঁদেরকে একটি ‘মিথ্যা মামলায়’ জড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সেন্টু সাদির বলেন, ‘মামলা করে আমাদের হয়রানি করার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা চলছে। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও নিরাপত্তা চাই।’এদিকে বিবাদী লিটন মিয়া, চায়না বেগম, রাশেদা বেগম ও রিফাত মিয়ার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা জমি দখল, হুমকি, হামলার চেষ্টা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ‘হানিট্র্যাপ’ ও কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।মামলার আইনজীবী তারেকুল ইসলাম মৃধা রোমান বলেন, ‘জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি হুমকি ও হয়রানির অভিযোগে দুটি মামলা করা হয়েছে। আমি মামলাগুলো দেখছি। দীর্ঘদিন ধরে এই বিরোধ চলে আসছে। বিষয়গুলো বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে।’আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জামাল হোসেন জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি৷ আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো৷আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তারুয়া ইউনিয়নে প্রায় ২০-২৭ শতাংশ জমির মালিকানা ও দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এক মাস ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে জমিতে ঘর নির্মাণ, সীমানা নির্ধারণে বাধা, মারধরের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে, এমন আশঙ্কা করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অভিযোগকারী সেন্টু সাদির।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জামাল হোসেন প্রতিবেদককে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সেন্টু সাদির আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগে তিনি লিটন মিয়া, চায়না বেগম, রাশেদা বেগম ও রিফাত মিয়াকে দায়ী করেছেন। এর আগে একই বিষয়ে আশুগঞ্জ থানায়ও অভিযোগ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে দুটি মামলা হয়েছে এবং তাদের পক্ষের তিনজন ‘মিথ্যা মামলার’ শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এর মধ্যে একজন প্রবাসী৷
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তারুয়া মৌজার খতিয়ান নং-৩৫০২, দাগ নং-৫০৭-এর ২৭ শতাংশ জমি সেন্টু সাদিরের ভাতিজা সোহাগ মাহমুদ ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, বিবাদীপক্ষ ওই জমির মধ্যে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ করেছে।
অভিযোগকারী সেন্টু সাদির বলেন, ‘আমরা জমিতে সীমানা নির্ধারণ করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করতে গেলে বিবাদীপক্ষ লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের মারধর করতে আসে। প্রাণের ভয়ে আমরা বাড়ির ভেতরে চলে যাই। পরে বাড়িতে এসে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।’
তিনি অভিযোগ করেন, বিবাদীপক্ষের লোকজন কোনো কথা শুনতে চায় না এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধ ও ঝগড়া সৃষ্টি করছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানানো হলেও সমাধান হয়নি বলে তাঁর দাবি।
অভিযোগকারী সেন্টু সাদির দাবি করেন, বিবাদীদের একজন লিটন মিয়া সৌদি আরবপ্রবাসী এবং তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে লিটন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন।
সেন্টু সাদির আরও অভিযোগ করেন, লিটন মিয়ার ভাগিনা রিফাত কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম ও প্রভাব বিস্তার করে। একই সঙ্গে লিটনের বোন চায়না বেগমের বিরুদ্ধে ‘হানিট্র্যাপের’ মাধ্যমে বিভিন্ন ছেলের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
অভিযোগকারী বলেন, ‘তাদের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা চলছে। তারা কারও কথা শুনছে না। বরং ইচ্ছা করেই ঝগড়া-বিবাদ বাড়িয়ে তুলছে।’ ‘হানিট্র্যাপ’ ও কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত এসব অভিযোগেরও স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সেন্টু সাদির বলেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লিটন মিয়া মোবাইল ফোনে তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। এসব কথোপকথনের রেকর্ড তাঁর কাছে রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, ‘আমাকে স্পষ্টভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এরপরও যদি তারা হামলা করে, তাহলে এর দায় সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।’
সোহাগ মাহমুদের পরিবার জানায়, তাঁর বাবা প্রয়াত কায়েম সাদির ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার। পরিবারের দাবি, বিবাদীপক্ষের দীর্ঘদিনের হুমকি, ভয়ভীতি ও বিরোধের কারণে তিনি মানসিক চাপে পড়ে দুইবার স্ট্রোক করেন৷ এসব বিষয় নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সোহাগ মাহমুদকে হুমকি দেওয়ার পর তাঁর মা হাসনা বেগম বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে স্ট্রোক করে মারা গেছেন৷ পরিবারের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ, হুমকি ও দীর্ঘদিনের মানসিক চাপই তাঁদের অসুস্থতার অন্যতম কারণ।
সেন্টু সাদিরের অভিযোগ, বিবাদীপক্ষের হুমকি ও হয়রানির কারণে সোহাগ মাহমুদের পরিবার স্বাভাবিকভাবে বাড়িতে থাকতে পারছে না। বর্তমানে তিনি ও তাঁর ভাই খোকন সাদির বাড়িতে অবস্থান করলেও তারা নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে জায়গা বুঝে নিতে চাই। কিন্তু তারা জায়গা ছাড়ছে না, গাছ কাটছে না, আবার আমাদেরও কাজ করতে দিচ্ছে না। বারবার বলা সত্ত্বেও তারা বিষয়টি সমাধান না করে ইচ্ছাকৃতভাবে ঝামেলা জিইয়ে রাখছে।’
এ ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্টু সাদির। পাশাপাশি জমি ও বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতে দুটি মামলা করা হয়েছে। তাঁদেরকে একটি ‘মিথ্যা মামলায়’ জড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সেন্টু সাদির বলেন, ‘মামলা করে আমাদের হয়রানি করার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা চলছে। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও নিরাপত্তা চাই।’
এদিকে বিবাদী লিটন মিয়া, চায়না বেগম, রাশেদা বেগম ও রিফাত মিয়ার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা জমি দখল, হুমকি, হামলার চেষ্টা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ‘হানিট্র্যাপ’ ও কিশোর গ্যাং-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
মামলার আইনজীবী তারেকুল ইসলাম মৃধা রোমান বলেন, ‘জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি হুমকি ও হয়রানির অভিযোগে দুটি মামলা করা হয়েছে। আমি মামলাগুলো দেখছি। দীর্ঘদিন ধরে এই বিরোধ চলে আসছে। বিষয়গুলো বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে।’
আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জামাল হোসেন জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি৷ আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো৷
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’