দুই মাস ধরে ভাঙা পন্টুন, দুর্ভোগে রাঙ্গাবালীর মানুষ
জেলা প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দুই মাস ধরে ভাঙা পন্টুন, দুর্ভোগে রাঙ্গাবালীর মানুষ.
অতিরিক্ত জলস্রোতের চাপে ভেঙে গেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি পন্টুন। দুই মাসের বেশি সময় ধরে এটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। এখনো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ।রাঙ্গাবালীর যোগাযোগব্যবস্থায় পন্টুনটির গুরুত্ব অনেক। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখান দিয়ে লঞ্চ, খেয়া ও অন্যান্য নৌযানে যাতায়াত করেন। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানসহ নানা কাজে এই ঘাটের ওপর নির্ভর করতে হয় তাঁদের।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত জলস্রোতের কারণে পন্টুনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকে যাত্রী ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ পন্টুন দিয়েই অনেকটা বাধ্য হয়ে চলাচল করছেন মানুষ।এতে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে। জোয়ার-ভাটা ও প্রবল স্রোতের সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পন্টুনটি ভেঙে যাওয়ার পর দুই মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। কিন্তু এখনো সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে মানুষকে।জরুরি প্রয়োজনে রাঙ্গাবালী থেকে বাইরে যেতে কিংবা বাইরে থেকে উপজেলায় আসতেও ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। স্থানীয়দের দাবি, দুই লক্ষাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই নৌপথ ও পন্টুনের ওপর নির্ভরশীল।পন্টুনটি দীর্ঘদিন অচল বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় এর প্রভাব পড়ছে পুরো উপজেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়। প্রতিদিন শত শত যাত্রী ভাঙা পন্টুন দিয়ে ওঠানামা করছেন। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।স্থানীয়দের প্রশ্ন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি পন্টুন দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভাঙা পড়ে থাকলেও সংস্কারকাজ শুরু হচ্ছে না কেন। দ্রুত সংস্কার না হলে বর্ষা ও অতিরিক্ত জলস্রোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।দ্রুত সংস্কারের দাবিরাঙ্গাবালীর বাসিন্দারা দ্রুত পন্টুনটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। প্রয়োজনে নতুন পন্টুন স্থাপনেরও দাবি তাঁদের।সংস্কারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় মানুষের।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
অতিরিক্ত জলস্রোতের চাপে ভেঙে গেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি পন্টুন। দুই মাসের বেশি সময় ধরে এটি ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। এখনো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ।
রাঙ্গাবালীর যোগাযোগব্যবস্থায় পন্টুনটির গুরুত্ব অনেক। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখান দিয়ে লঞ্চ, খেয়া ও অন্যান্য নৌযানে যাতায়াত করেন। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানসহ নানা কাজে এই ঘাটের ওপর নির্ভর করতে হয় তাঁদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত জলস্রোতের কারণে পন্টুনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকে যাত্রী ওঠানামা ব্যাহত হচ্ছে। ভাঙা ও ঝুঁকিপূর্ণ পন্টুন দিয়েই অনেকটা বাধ্য হয়ে চলাচল করছেন মানুষ।
এতে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে। জোয়ার-ভাটা ও প্রবল স্রোতের সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পন্টুনটি ভেঙে যাওয়ার পর দুই মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। কিন্তু এখনো সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে মানুষকে।
জরুরি প্রয়োজনে রাঙ্গাবালী থেকে বাইরে যেতে কিংবা বাইরে থেকে উপজেলায় আসতেও ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। স্থানীয়দের দাবি, দুই লক্ষাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই নৌপথ ও পন্টুনের ওপর নির্ভরশীল।
পন্টুনটি দীর্ঘদিন অচল বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় এর প্রভাব পড়ছে পুরো উপজেলার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়। প্রতিদিন শত শত যাত্রী ভাঙা পন্টুন দিয়ে ওঠানামা করছেন। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি পন্টুন দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভাঙা পড়ে থাকলেও সংস্কারকাজ শুরু হচ্ছে না কেন। দ্রুত সংস্কার না হলে বর্ষা ও অতিরিক্ত জলস্রোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
দ্রুত সংস্কারের দাবি
রাঙ্গাবালীর বাসিন্দারা দ্রুত পন্টুনটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। প্রয়োজনে নতুন পন্টুন স্থাপনেরও দাবি তাঁদের।
সংস্কারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের অবসানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় মানুষের।