ডোবায় ভাসছিল নারীর লাশ, মৃত্যুর কারণ খুঁজছে পুলিশ.
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তালতলা এলাকায় একটি ডোবা থেকে কোহিনুর বেগম (৩৪) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে মাগুরা গ্রামের একটি রড-সিমেন্টের দোকানের পেছনের ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।কোহিনুর বেগম উপজেলার খেলারডাঙা এলাকার মনসুর আলীর মেয়ে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের ভ্যানচালক কর্মচারী শরিফুল ইসলাম মুকুলের রড-সিমেন্টের দোকানের পেছনে যান। এ সময় পাশের বিলে কালো বোরকা পরা এক নারীকে পানিতে ভাসতে দেখেন তিনি। পরে দোকানের মালিককে বিষয়টি জানান।আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখে পুলিশকে খবর দেন।খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।ঘটনাস্থল থেকে কোহিনুর বেগমের ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোনও উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে উদ্ধার করা ফোন ও তদন্তের সূত্র ধরে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ।সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।তিনি বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে। ঘটনাটি হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তালতলা এলাকায় একটি ডোবা থেকে কোহিনুর বেগম (৩৪) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে মাগুরা গ্রামের একটি রড-সিমেন্টের দোকানের পেছনের ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
কোহিনুর বেগম উপজেলার খেলারডাঙা এলাকার মনসুর আলীর মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের ভ্যানচালক কর্মচারী শরিফুল ইসলাম মুকুলের রড-সিমেন্টের দোকানের পেছনে যান। এ সময় পাশের বিলে কালো বোরকা পরা এক নারীকে পানিতে ভাসতে দেখেন তিনি। পরে দোকানের মালিককে বিষয়টি জানান।
আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে কোহিনুর বেগমের ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোনও উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে উদ্ধার করা ফোন ও তদন্তের সূত্র ধরে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান জানান, স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে। ঘটনাটি হত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।