দেড় বছর পর কলাপাড়া হাসপাতালে ফের চালু সিজারিয়ান অপারেশন
স্বল্প খরচে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেবা পাবেন গর্ভবতী মায়েরা
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
ছবি কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দেড় বছর পর কলাপাড়া হাসপাতালে ফের চালু সিজারিয়ান অপারেশন.
স্বল্প খরচে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেবা পাবেন গর্ভবতী মায়েরা. দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর পটুয়াখালীর কলাপাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পুনরায় চালু হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম। শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টায় ফিতা কেটে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মং তেনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও হাসপাতালসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ থাকায় উপজেলার গর্ভবতী নারীদের অনেককে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। এতে বাড়তি খরচের পাশাপাশি দূরবর্তী স্থানে যাতায়াতের ভোগান্তিও পোহাতে হয়েছে তাদের।সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় এখন থেকে গর্ভবতী মায়েরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় তুলনামূলক কম খরচে এ সেবা নিতে পারবেন। দীর্ঘদিন পর গুরুত্বপূর্ণ এই চিকিৎসাসেবা চালু হওয়ায় উপকূলীয় কলাপাড়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের সব উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।স্থানীয়রা বলছেন, কলাপাড়া হাসপাতালের সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম নিয়মিত ও নির্বিঘ্নভাবে চালু থাকলে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও সহজ হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর পটুয়াখালীর কলাপাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পুনরায় চালু হয়েছে সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম।
শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টায় ফিতা কেটে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মং তেনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও হাসপাতালসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ থাকায় উপজেলার গর্ভবতী নারীদের অনেককে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। এতে বাড়তি খরচের পাশাপাশি দূরবর্তী স্থানে যাতায়াতের ভোগান্তিও পোহাতে হয়েছে তাদের।
সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় এখন থেকে গর্ভবতী মায়েরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় তুলনামূলক কম খরচে এ সেবা নিতে পারবেন। দীর্ঘদিন পর গুরুত্বপূর্ণ এই চিকিৎসাসেবা চালু হওয়ায় উপকূলীয় কলাপাড়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের সব উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি চলতি বছরের মধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয়রা বলছেন, কলাপাড়া হাসপাতালের সিজারিয়ান অপারেশন কার্যক্রম নিয়মিত ও নির্বিঘ্নভাবে চালু থাকলে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও সহজ হবে।