বিদ্যুতের লাইন মেরামত করতে গিয়ে মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বিদ্যুতের লাইন মেরামত করতে গিয়ে মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু.
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও মেলান্দহে পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক নারী।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ও রাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।দেওয়ানগঞ্জে নিহত দুজন হলেন উপজেলার পুরাতন রেললাইন এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে রাজু (১৪) ও তাঁর স্ত্রী লাকী আক্তার (৪০)। গুরুতর আহত হয়েছেন রাজুর দাদি বুলি বেগম। তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় লোকজন জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বসতঘরের বৈদ্যুতিক সংযোগে ত্রুটি দেখা দেয়। রাজু সেটি নিজে মেরামত করতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে যান লাকী আক্তার। তিনিও বিদ্যুতায়িত হন। পুত্রবধূ ও নাতিকে বিপদে দেখে তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে যান বুলি বেগম। এতে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।পরে স্থানীয় লোকজন তিনজনকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাজু ও লাকী আক্তারের মৃত্যু হয়। সংকটাপন্ন অবস্থায় বুলি বেগমকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন।দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে মেলান্দহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুনায়েদ ইসলাম তায়েফ (১৬) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি কোনামালঞ্চ আমেনা দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।মেলান্দহ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল করিম জানান, বিকেলে মাদ্রাসার একটি ঘরের টিনের চালে উঠেছিলেন জুনায়েদ। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।জুনায়েদ মেলান্দহ থানার হাজরাবাড়ী এলাকার সোলাইমান হোসেনের ছেলে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও মেলান্দহে পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এক নারী।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ও রাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
দেওয়ানগঞ্জে নিহত দুজন হলেন উপজেলার পুরাতন রেললাইন এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে রাজু (১৪) ও তাঁর স্ত্রী লাকী আক্তার (৪০)। গুরুতর আহত হয়েছেন রাজুর দাদি বুলি বেগম। তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় লোকজন জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বসতঘরের বৈদ্যুতিক সংযোগে ত্রুটি দেখা দেয়। রাজু সেটি নিজে মেরামত করতে যান। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে যান লাকী আক্তার। তিনিও বিদ্যুতায়িত হন। পুত্রবধূ ও নাতিকে বিপদে দেখে তাঁদের বাঁচাতে এগিয়ে যান বুলি বেগম। এতে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন তিনজনকে উদ্ধার করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাজু ও লাকী আক্তারের মৃত্যু হয়। সংকটাপন্ন অবস্থায় বুলি বেগমকে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে মেলান্দহে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুনায়েদ ইসলাম তায়েফ (১৬) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি কোনামালঞ্চ আমেনা দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
মেলান্দহ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল করিম জানান, বিকেলে মাদ্রাসার একটি ঘরের টিনের চালে উঠেছিলেন জুনায়েদ। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
জুনায়েদ মেলান্দহ থানার হাজরাবাড়ী এলাকার সোলাইমান হোসেনের ছেলে।