আত্মহত্যার চেষ্টা করা নারীকে নদী থেকে উদ্ধার করলেন কনস্টেবল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
আত্মহত্যার চেষ্টা করা নারীকে নদী থেকে উদ্ধার করলেন কনস্টেবল.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া এক নারীকে উদ্ধার করেছেন এক পুলিশ সদস্য। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ওই নারীকে সাঁতরে উদ্ধার করেন কনস্টেবল অমিত হাসান।মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইলকান্দি সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৪ বছর বয়সী ওই নারী বিবাহিত। অভিমান থেকে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।মঙ্গলবার রাতে অমিত হাসান এক ব্যাচমেটকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। শিমরাইলকান্দি এলাকার প্রথম সেতুর কাছে তিনি ওই নারীকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখেন। এরপর দেরি না করে নিজেও পানিতে ঝাঁপ দেন। সাঁতরে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করেন তিনি।পরে একটি নৌকার সহায়তায় তাঁকে নদীর তীরে আনা হয়। সেখান থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী বলেন, ওই নারী সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে লাফিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন হাসপাতালে যান। তিনি ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পাশাপাশি তাঁর চিকিৎসার খোঁজ নেন।ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা-জগৎসার গ্রামে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন।পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাছির উদ্দিন বলেন, মেয়েটি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশের এক সদস্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।রাত ১২টার দিকে ওই নারীকে তাঁর মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া এক নারীকে উদ্ধার করেছেন এক পুলিশ সদস্য। নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ওই নারীকে সাঁতরে উদ্ধার করেন কনস্টেবল অমিত হাসান।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইলকান্দি সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৪ বছর বয়সী ওই নারী বিবাহিত। অভিমান থেকে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
মঙ্গলবার রাতে অমিত হাসান এক ব্যাচমেটকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। শিমরাইলকান্দি এলাকার প্রথম সেতুর কাছে তিনি ওই নারীকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখেন। এরপর দেরি না করে নিজেও পানিতে ঝাঁপ দেন। সাঁতরে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করেন তিনি।
পরে একটি নৌকার সহায়তায় তাঁকে নদীর তীরে আনা হয়। সেখান থেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী বলেন, ওই নারী সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে লাফিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন হাসপাতালে যান। তিনি ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পাশাপাশি তাঁর চিকিৎসার খোঁজ নেন।
ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা-জগৎসার গ্রামে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নাছির উদ্দিন বলেন, মেয়েটি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুলিশের এক সদস্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
রাত ১২টার দিকে ওই নারীকে তাঁর মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়।