ছবি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
গণমাধ্যম কেবল ২৬টি চ্যানেল নয়। আজকাল প্রত্যেক মানুষের হাতের মুঠোয় গণমাধ্যম আছে। যিনি যা চাইবেন, শুনতে পারবেন। কারও বক্তব্য প্রচার আজকাল বন্ধ রাখা যায় না।
বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভার আয়োজন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা শেখ হাসিনার আমলে দেখেছি তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। কোর্টের আদেশ দিয়ে নিষিদ্ধ ছিল। সেটা যদি গণতন্ত্র না হয়, তাহলে এটাই বা কী করে গণতন্ত্র হয়?
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশের নাগরিক। ওনার পরিবার এবং ওনার বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অবদান আছে। ওনার পরিবারকে স্ব-পরিবারে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে তখন আওয়ামী লীগ ছিল একমাত্র দল, ওনার বয়সও হয়েছে। বাংলাদেশে যদি ফিরে না আসেন, ওনার দলের অবস্থা কী দাঁড়াবে বা ওনার এতদিনের যে রাজনৈতিক ইতিহাস- সেটারই বা কী দাঁড়াবে? সব কিছু বিবেচনায় আমার কমনসেন্স বলে উনি ফিরে আসবে।
সম্প্রতি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের বিষয়ে তিনি বলেন, এটা দেশের আইনশৃঙ্খলার যে নাজুক পরিস্থিতি- সেটাই ইঙ্গিত করে। দলগুলোর যে তাদের ছাত্রসংগঠনের ওপর কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ নেই এবং দিনশেষে আবারও যে আমরা পুরনো রাজনীতিতেই ফিরে যাচ্ছি, সেটিই ইঙ্গিত করে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে রুমিন ফারহানাকে প্রধান অতিথি করায়, উপজেলা প্রশাসনের এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে স্থানীয় বিএনপি।
এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপিকে তো মানতে হবে মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছে। এই কঠিন সত্যটা বিএনপিকে মেনে নিতে হবে।
এ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির এনাম খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ও সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।