৫ আগস্টের আগে কিছু সাংবাদিক গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন: শ্যামল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
৫ আগস্টের আগে কিছু সাংবাদিক গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন: শ্যামল.
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেছেন, ৫ আগস্টের আগে কিছু সাংবাদিক ব্যানার নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন।শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।‘জিয়া থেকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান—গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা’ শীর্ষক এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্যামল।শ্যামল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আমরা বিদায় করেছি। এই দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় ও ভোটের অধিকারের সঙ্গে জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে থাকবে।’তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্টের আমলে কিছু কিছু সাংবাদিক সুবিধা ভোগ করেছেন। তারা ৫ আগস্টের আগে ব্যানার নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন।’আলোচনা সভায় দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে বিএনপির রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে কারা নির্যাতনের শিকার জেলার পাঁচজন শীর্ষ নেতা ও কয়েকজন সাংবাদিককে সম্মাননা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের হেড অব নিউজ মো. শরিফুল ইসলাম খান। সভার উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি নিয়াজ মো. খান বিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুল আরেফিন।আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক পিপি মো. সফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মঞ্জু এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম।সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহাদের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অর্থবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আহাদ।কারা নির্যাতিত বিএনপির নেতাদের মধ্যে সম্মাননা পান ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও সফিকুল ইসলাম পিপি।সম্মাননা পাওয়া সাংবাদিকেরা হলেন আবু আব্দুল্লাহ, মোকলেসুর রহমান, আশিকুর রহমান চৌধুরী পনি, আজিজুর রহমান পায়েল ও জয় আহমেদ।অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেছেন, ৫ আগস্টের আগে কিছু সাংবাদিক ব্যানার নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন।
শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
‘জিয়া থেকে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান—গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা’ শীর্ষক এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শ্যামল।
শ্যামল বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে আমরা বিদায় করেছি। এই দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় ও ভোটের অধিকারের সঙ্গে জিয়া পরিবারের নাম স্বর্ণাক্ষরে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্টের আমলে কিছু কিছু সাংবাদিক সুবিধা ভোগ করেছেন। তারা ৫ আগস্টের আগে ব্যানার নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন।’
আলোচনা সভায় দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। অনুষ্ঠানে বিএনপির রাজনীতির বিভিন্ন পর্যায়ে কারা নির্যাতনের শিকার জেলার পাঁচজন শীর্ষ নেতা ও কয়েকজন সাংবাদিককে সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের হেড অব নিউজ মো. শরিফুল ইসলাম খান। সভার উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি নিয়াজ মো. খান বিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুল আরেফিন।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক পিপি মো. সফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মঞ্জু এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম।
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহাদের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অর্থবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আহাদ।
কারা নির্যাতিত বিএনপির নেতাদের মধ্যে সম্মাননা পান ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সিরাজুল ইসলাম, আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি ও সফিকুল ইসলাম পিপি।
সম্মাননা পাওয়া সাংবাদিকেরা হলেন আবু আব্দুল্লাহ, মোকলেসুর রহমান, আশিকুর রহমান চৌধুরী পনি, আজিজুর রহমান পায়েল ও জয় আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।