সৈয়দপুরে পুকুর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করতে র্যাবের চেষ্টা
জেলা প্রতিনিধি, নীলফামারী
রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সৈয়দপুরে পুকুর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করতে র্যাবের চেষ্টা.
নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি পুকুর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের গ্রেনেড বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেনেডটি সক্রিয় (তাজা) বলে জানিয়েছে র্যাব।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। এটি নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আশির উদ্দিন শাহর পুকুরে গোসল করতে যান স্থানীয় দুই যুবক। এ সময় তাঁদের একজনের পায়ে পানির নিচে থাকা ভারী একটি বস্তুর স্পর্শ লাগে। পরে তাঁরা পানির নিচ থেকে বস্তুটি তুলে পুকুরপাড়ে নিয়ে আসেন।বস্তুটি গ্রেনেড বুঝতে পেরে তাঁরা সেটি পলিথিনে মুড়িয়ে পুকুরপাড়ে রেখে দেন। পরে সৈয়দপুর থানায় খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে র্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২-এর একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নীলফামারী র্যাবের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এটিএম তৌহিদুল ইসলাম ও কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির।কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির জানান, গ্রেনেডটি তাজা (সক্রিয়) হওয়ায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরে রংপুর থেকে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে।সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে ওই দল গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি পুকুর থেকে গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের গ্রেনেড বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রেনেডটি সক্রিয় (তাজা) বলে জানিয়েছে র্যাব।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। এটি নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সকালে ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আশির উদ্দিন শাহর পুকুরে গোসল করতে যান স্থানীয় দুই যুবক। এ সময় তাঁদের একজনের পায়ে পানির নিচে থাকা ভারী একটি বস্তুর স্পর্শ লাগে। পরে তাঁরা পানির নিচ থেকে বস্তুটি তুলে পুকুরপাড়ে নিয়ে আসেন।
বস্তুটি গ্রেনেড বুঝতে পেরে তাঁরা সেটি পলিথিনে মুড়িয়ে পুকুরপাড়ে রেখে দেন। পরে সৈয়দপুর থানায় খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে র্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২-এর একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নীলফামারী র্যাবের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এটিএম তৌহিদুল ইসলাম ও কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির।
কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির জানান, গ্রেনেডটি তাজা (সক্রিয়) হওয়ায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরে রংপুর থেকে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে।
সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে ওই দল গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করছে।