পড়া না পারায় শিক্ষার্থীকে মারধর, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরল আফরিন
তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৬ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
পড়া না পারায় শিক্ষার্থীকে মারধর, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরল আফরিন.
ভোলার দৌলতখানে পড়া না পারায় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শিক্ষক মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে আফরিন আক্তার।গত ১৭ সেপ্টেম্বর চরগুমানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবারের অভিযোগ। তাদের দাবি, পড়া না পারায় শিক্ষক মেহেদী হাসান আফরিনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে গত ২০ সেপ্টেম্বর আফরিনকে বাড়িতে নিয়ে আসেন তার বাবা মোহাম্মদ শহীদ।তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। তবে আমরা উদ্বিগ্ন। সাত দিনের সময় দিয়েছি। এর মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল থেকে বাদ দিতে হবে। না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দিন বলেন, বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি করেছে আফরিনের পরিবার। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপও দাবি করেছেন স্থানীয় অভিভাবকরা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ভোলার দৌলতখানে পড়া না পারায় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শিক্ষক মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছে আফরিন আক্তার।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর চরগুমানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবারের অভিযোগ। তাদের দাবি, পড়া না পারায় শিক্ষক মেহেদী হাসান আফরিনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে গত ২০ সেপ্টেম্বর আফরিনকে বাড়িতে নিয়ে আসেন তার বাবা মোহাম্মদ শহীদ।
তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। তবে আমরা উদ্বিগ্ন। সাত দিনের সময় দিয়েছি। এর মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্কুল থেকে বাদ দিতে হবে। না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দিন বলেন, বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দাবি করেছে আফরিনের পরিবার। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপও দাবি করেছেন স্থানীয় অভিভাবকরা।