কুষ্টিয়ায় কবরস্থান থেকে সেই পীরের মরদেহ তুলে দরবারে দাফনের অভিযোগ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
কুষ্টিয়ায় কবরস্থান থেকে সেই পীরের মরদেহ তুলে দরবারে দাফনের অভিযোগ.
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আলোচিত পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামিম জাহাঙ্গীরের মরদেহ কবরস্থান থেকে তুলে দরবার প্রাঙ্গণে নতুন করে দাফনের অভিযোগ উঠেছে।স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার একটি স্থানীয় কবরস্থান থেকে শামিমের মরদেহ তুলে নেওয়া হয়। পরে ‘শামিমি বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত দরবার প্রাঙ্গণে তা আবার দাফন করা হয়।খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান।নিহত শামিমের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, সকালে খবর পেয়ে তারা কবরস্থানে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, কবরটি খোঁড়া হয়েছে। মরদেহ তুলে নেওয়ার আলামতও পাওয়া যায়।পরে তারা দরবার প্রাঙ্গণে যান। সেখানে একটি নতুন কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান। কবরটি খাপাচি দিয়ে মাটি চাপা দেওয়া ছিল।ওসি খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। নতুন কবরের ভেতরে কঙ্কালসদৃশ বস্তু দেখা যাচ্ছে। তবে সেটি শামিমের মরদেহের অংশ কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।তিনি বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দুপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে শামিমের দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ করা হয়।পরদিন ১২ এপ্রিল ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।শামিম হত্যার ঘটনায় তাঁর বড় ভাই বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের এক নেতাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।তবে কবরস্থান থেকে মরদেহ সরিয়ে দরবার প্রাঙ্গণে দাফনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আলোচিত পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামিম জাহাঙ্গীরের মরদেহ কবরস্থান থেকে তুলে দরবার প্রাঙ্গণে নতুন করে দাফনের অভিযোগ উঠেছে।
স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার একটি স্থানীয় কবরস্থান থেকে শামিমের মরদেহ তুলে নেওয়া হয়। পরে ‘শামিমি বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত দরবার প্রাঙ্গণে তা আবার দাফন করা হয়।
নিহত শামিমের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, সকালে খবর পেয়ে তারা কবরস্থানে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, কবরটি খোঁড়া হয়েছে। মরদেহ তুলে নেওয়ার আলামতও পাওয়া যায়।
পরে তারা দরবার প্রাঙ্গণে যান। সেখানে একটি নতুন কবর খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পান। কবরটি খাপাচি দিয়ে মাটি চাপা দেওয়া ছিল।
ওসি খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। নতুন কবরের ভেতরে কঙ্কালসদৃশ বস্তু দেখা যাচ্ছে। তবে সেটি শামিমের মরদেহের অংশ কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দুপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে শামিমের দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ করা হয়।
পরদিন ১২ এপ্রিল ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।
শামিম হত্যার ঘটনায় তাঁর বড় ভাই বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের এক নেতাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
তবে কবরস্থান থেকে মরদেহ সরিয়ে দরবার প্রাঙ্গণে দাফনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।