সোমবারবাংলা: ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

কলাপাড়ায় জমি দখল ও আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়ায় জমি দখল ও আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দখলচেষ্টা, হামলা, হয়রানি এবং আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কলাপাড়া উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ সিকদার।

শনিবার দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দেবাশীষ সিকদার। তিনি দাবি করেন, গত ২৯ জুলাই কয়েকটি জাতীয়, স্থানীয় দৈনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ূন সিকদারকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর।

দেবাশীষ সিকদার বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের ন্যায়বিচারের আশায় তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধপূর্ণ জমিকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে। প্রথমে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পরে ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন চলাকালে প্রকাশ্যে তার ওপর হামলা চালানো হয়। চিকিৎসা গ্রহণের পর তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং ওই মামলায় পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, বিরোধপূর্ণ জমির মালিকানার পক্ষে রেকর্ড সংশোধন, আদালতের আদেশসহ প্রয়োজনীয় ভূমি-সংক্রান্ত নথিপত্র তার কাছে রয়েছে। এরপরও প্রতিপক্ষ প্রভাব খাটিয়ে তার ও পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে জমির বিরোধের পটভূমি তুলে ধরে জানানো হয়, কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর জে.এল. নীলগঞ্জ মৌজার পিএস ১০৮ নম্বর খতিয়ানের ৭৮২২ নম্বর দাগসহ মোট ১০টি দাগে ৭ দশমিক ৪১ একর জমির মূল রেকর্ডভুক্ত মালিক ছিলেন পূর্ণচন্দ্র হাওলাদার। পরবর্তীতে আরএস ১৪৫ নম্বর খতিয়ানে ভুলবশত পরেশ চন্দ্র মণ্ডলের নামে ৮ আনা অংশ রেকর্ড হয়। পরে রেজিস্ট্রিকৃত না-দাবি দলিলের মাধ্যমে ওই দাবি প্রত্যাহার করা হলে এসএ ১৭৩ নম্বর খতিয়ানে ১৯৭১-৭২ সালের মিউটেশন মামলার মাধ্যমে পূর্ণচন্দ্র হাওলাদারের নামে জমির রেকর্ড সংশোধন করা হয়।

বক্তব্যে আরও বলা হয়, বিএস জরিপের সময় বাড়ির ৩৬ শতাংশ জমি পুলিন চন্দ্র হাওলাদারদের নামে রেকর্ড হলেও অবশিষ্ট জমি অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ অবস্থায় জমি ফেরতের দাবিতে কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ জুন আদালত উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে দোতরফা নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে আদালতের আদেশ অমান্য করে প্রতিপক্ষ বিরোধীয় জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

দেবাশীষ সিকদার বলেন, বর্তমানে তার কাকা পুলিন চন্দ্র হাওলাদারের পরিবারের চারটি পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। তাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।