হাসপাতালে বিএনপি-জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি
মেহেরপুর প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
ছবি সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
হাসপাতালে বিএনপি-জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি.
মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সংসদ সদস্যের পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। প্রথমে তিনি চিকিৎসক বেলাল হোসেনের কক্ষে যান। কক্ষটি ফাঁকা থাকলেও হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর দেখতে পান তারা। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য।পরে সংসদ সদস্য হাসপাতালের নতুন ভবনের প্যাথলজি বিভাগে গেলে আইডি কার্ডবিহীন এক ব্যক্তিকে দেখতে পান। তার পরিচয় জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি হাসপাতালের এক স্টাফের আইডি কার্ড দেখান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কার্ডটি দেখানো হলে সেটি ভুয়া বলে জানানো হয়।এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিকে জামায়াতের এক কর্মী কয়েকটি থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্য এবং তার সঙ্গে থাকা জামায়াতের নেতা-কর্মীরা ওজোপাডিকো কার্যালয়ের দিকে যান। সেখানে তাদের বাইরে থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন বলে অভিযোগ করেন জামায়াত নেতারা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম এবং সদর থানা পুলিশের একটি দল। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সংসদ সদস্য ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের নিরাপদে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়।জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হুছাইন বলেন, হাসপাতাল দালালমুক্ত করার লক্ষ্যেই সংসদ সদস্য পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন।তিনি অভিযোগ করেন, এ সময় হাসপাতালে মবের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। তবে উভয় দলের নেতাদের উদ্যোগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। হাসপাতালকে যে কোনো মূল্যে দালালমুক্ত করারও ঘোষণা দেন তিনি।অন্যদিকে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে কোনো মব সৃষ্টি হয়নি। তার দাবি, জামায়াতের নেতা-কর্মীরা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে একজনকে মারধর করেন। এ কারণেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিএনপি নেতাদের উদ্যোগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে দাবি করেন তিনি।একইসঙ্গে হাসপাতাল দালালমুক্ত করার বিষয়ে জামায়াতের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিএনপির এই নেতা।মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হাসপাতালে জামায়াত ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাসপাতালের সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সংসদ সদস্যের পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খান কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। প্রথমে তিনি চিকিৎসক বেলাল হোসেনের কক্ষে যান। কক্ষটি ফাঁকা থাকলেও হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর দেখতে পান তারা। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন সংসদ সদস্য।
পরে সংসদ সদস্য হাসপাতালের নতুন ভবনের প্যাথলজি বিভাগে গেলে আইডি কার্ডবিহীন এক ব্যক্তিকে দেখতে পান। তার পরিচয় জানতে চাইলে ওই ব্যক্তি হাসপাতালের এক স্টাফের আইডি কার্ড দেখান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কার্ডটি দেখানো হলে সেটি ভুয়া বলে জানানো হয়।
এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিকে জামায়াতের এক কর্মী কয়েকটি থাপ্পড় মারেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সংসদ সদস্য এবং তার সঙ্গে থাকা জামায়াতের নেতা-কর্মীরা ওজোপাডিকো কার্যালয়ের দিকে যান। সেখানে তাদের বাইরে থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবরুদ্ধ করে রাখেন বলে অভিযোগ করেন জামায়াত নেতারা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফয়েজ মোহাম্মদ, সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম এবং সদর থানা পুলিশের একটি দল। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সংসদ সদস্য ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের নিরাপদে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়।
জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হুছাইন বলেন, হাসপাতাল দালালমুক্ত করার লক্ষ্যেই সংসদ সদস্য পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এ সময় হাসপাতালে মবের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। তবে উভয় দলের নেতাদের উদ্যোগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। হাসপাতালকে যে কোনো মূল্যে দালালমুক্ত করারও ঘোষণা দেন তিনি।
অন্যদিকে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে কোনো মব সৃষ্টি হয়নি। তার দাবি, জামায়াতের নেতা-কর্মীরা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে একজনকে মারধর করেন। এ কারণেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিএনপি নেতাদের উদ্যোগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে দাবি করেন তিনি।
একইসঙ্গে হাসপাতাল দালালমুক্ত করার বিষয়ে জামায়াতের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেন বিএনপির এই নেতা।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হাসপাতালে জামায়াত ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হাসপাতালের সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।