সোমবারবাংলা: ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

দৃষ্টিশক্তি হারিয়েও থামেননি মিজান, স্বাবলম্বী হতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান

দৃষ্টিশক্তি হারিয়েও থামেননি মিজান, স্বাবলম্বী হতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন
দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, কিন্তু থেমে যাননি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মিজান মিয়া। প্রতিকূলতার মধ্যেও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। এখন নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সরকারি সহায়তা চান ২৬ বছর বয়সী এই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী যুবক।

মিজান মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের প্রয়াত খোরশেদ মিয়ার ছেলে। তাঁর বাবা ছিলেন রিকশাচালক। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করেই বেড়ে উঠেছেন মিজান।

মিজান জানান, ২০১৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং ২০১৯ সালে ঢাকা বাংলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০১৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের গৌতমপাড়ায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে কেয়ারটেকার হিসেবে চাকরি পান মিজান। ২০২৩ সালে তিনি বিয়ে করেন। তবে বর্তমানে স্থায়ী কোনো আয়ের উৎস না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর।

মিজান বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করেও এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাননি। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা যেন তাঁর কর্মজীবনের পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, সে জন্য তিনি সরকারি সহায়তা চান। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন তিনি।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মিজান পড়াশোনা চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। কিন্তু দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতার কারণে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে তিনি পিছিয়ে পড়ছেন। তাঁকে সহযোগিতা করতে সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

মিজানের প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম। তাঁর প্রত্যাশা, সরকারি ও সামাজিক উদ্যোগে মিজান স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন।

শিক্ষাজীবনের কঠিন পথ পেরিয়ে মিজান যে অর্জন করেছেন, এখন সেই যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভর হওয়ার সুযোগই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।