লোডশেডিং নিয়ে যে আভাস দিল পাওয়ার গ্রিড.
দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকেল ৫টায় লোডশেডিং সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)–এর শনিবারের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াটে।
বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি দ্রুত বাড়তে পারে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং হতে পারে ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট। বিকেল ৩টায় তা বেড়ে ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াটে উঠতে পারে। বিকেল ৪টায় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট।
বিকেল ৫টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।
এরপর সন্ধ্যায় কিছুটা কমতে পারে বিদ্যুতের ঘাটতি। সন্ধ্যা ৬টায় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তা কমে ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াটে নামতে পারে। তবে সন্ধ্যা ৭টায় আবার বেড়ে ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট হতে পারে।
রাতেও বিদ্যুতের ঘাটতি বেশি থাকতে পারে। রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ হতে পারে। এ সময় চাহিদা ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট।
রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা হতে পারে ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াট। এ সময় উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।
এর আগের কয়েক দিনেও দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা গেছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকেল ৫টায় লোডশেডিং সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)–এর শনিবারের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টায় ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। দুপুর ১২টায় তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াটে।
বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি দ্রুত বাড়তে পারে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং হতে পারে ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াট। বিকেল ৩টায় তা বেড়ে ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াটে উঠতে পারে। বিকেল ৪টায় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট।
বিকেল ৫টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।
এরপর সন্ধ্যায় কিছুটা কমতে পারে বিদ্যুতের ঘাটতি। সন্ধ্যা ৬টায় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তা কমে ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াটে নামতে পারে। তবে সন্ধ্যা ৭টায় আবার বেড়ে ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট হতে পারে।
রাতেও বিদ্যুতের ঘাটতি বেশি থাকতে পারে। রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, রাত ৯টায় বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ হতে পারে। এ সময় চাহিদা ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট।
রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা হতে পারে ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াট। এ সময় উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।
এর আগের কয়েক দিনেও দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা গেছে।