চট্টগ্রাম বন্দরে ১৫০ টন বিপজ্জনক কেমিক্যাল ধ্বংস শুরু
নিজস্ব প্রনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
চট্টগ্রাম বন্দরে ১৫০ টন বিপজ্জনক কেমিক্যাল ধ্বংস শুরু.
চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কনটেইনার জট কমাতে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা বিপজ্জনক কেমিক্যাল ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব কেমিক্যাল মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী।
কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের উদ্যোগে বন্দরে থাকা ৯টি কনটেইনারের মোট ১৫০ দশমিক ৮৯ মেট্রিক টন বিপজ্জনক কেমিক্যাল ধ্বংস করা হচ্ছে। পরিবেশসম্মত পদ্ধতিতে এসব কেমিক্যাল ধ্বংস করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ২০০৩ সাল থেকে কেমিক্যালগুলো পড়ে আছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৯২ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন মিথানল এবং ৩২ দশমিক ৩০ মেট্রিক টন থিনার।
বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)-এর সুপারিশ এবং কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে এসব কেমিক্যাল ধ্বংস করা হচ্ছে।
কেমিক্যালগুলো নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায় ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের মাধ্যমে ধ্বংস করা হবে। এ জন্য পরিবেশবান্ধব ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে কেমিক্যালবাহী যানগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রওনা হয়। পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে যানগুলো ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের উদ্দেশে পাঠানো হয়।
ধ্বংসকাজের নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বিএনএসিডব্লিউসি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং আনসার ব্যাটালিয়ন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কনটেইনার জট কমাতে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা বিপজ্জনক কেমিক্যাল ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব কেমিক্যাল মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী।
কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের উদ্যোগে বন্দরে থাকা ৯টি কনটেইনারের মোট ১৫০ দশমিক ৮৯ মেট্রিক টন বিপজ্জনক কেমিক্যাল ধ্বংস করা হচ্ছে। পরিবেশসম্মত পদ্ধতিতে এসব কেমিক্যাল ধ্বংস করা হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ২০০৩ সাল থেকে কেমিক্যালগুলো পড়ে আছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫ দশমিক ৫৫ মেট্রিক টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৯২ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন মিথানল এবং ৩২ দশমিক ৩০ মেট্রিক টন থিনার।
বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)-এর সুপারিশ এবং কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে এসব কেমিক্যাল ধ্বংস করা হচ্ছে।
কেমিক্যালগুলো নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মুড়াপাড়ায় ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের মাধ্যমে ধ্বংস করা হবে। এ জন্য পরিবেশবান্ধব ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে কেমিক্যালবাহী যানগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রওনা হয়। পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে যানগুলো ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেডের উদ্দেশে পাঠানো হয়।
ধ্বংসকাজের নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বিএনএসিডব্লিউসি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং আনসার ব্যাটালিয়ন।