কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৬৩.
কুমিল্লার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে।জেলা পুলিশ জানায়, বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর বয়সীদের উৎপাত রয়েছে—এমন স্থানগুলোতে জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি বলেন, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযানে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও নজরদারি করা হচ্ছে।জেলা পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত কুমিল্লায় মোট ১ হাজার ৬৭২ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে মুচলেকা নিয়ে ১ হাজার ১৩০ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর বিভিন্ন অপরাধে ৫৪২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
কুমিল্লার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এ অভিযান পরিচালনা করে।
জেলা পুলিশ জানায়, বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর বয়সীদের উৎপাত রয়েছে—এমন স্থানগুলোতে জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এতে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযানে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও নজরদারি করা হচ্ছে।
জেলা পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত কুমিল্লায় মোট ১ হাজার ৬৭২ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে মুচলেকা নিয়ে ১ হাজার ১৩০ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর বিভিন্ন অপরাধে ৫৪২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।