কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল প্রথম ইউরেনিয়ামের চালান
alamin dhakaprobe
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৪ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল প্রথম ইউরেনিয়ামের চালান.
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাড়িবহরটি পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে।পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়ামের চালান নিয়ে গাড়িবহরটি দুপুর সাড়ে ১২টার পর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়।এর আগে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাড়িবহরটি রূপপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।গাড়িবহরে ছিল চারটি গাড়ি। এর মধ্যে তিনটি লরিতে ইউরেনিয়াম এবং অন্য একটি গাড়িতে নেওয়া হয় অন্যান্য সরঞ্জাম। রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরাও গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলেন।ইউরেনিয়াম পরিবহনের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়ামবাহী একটি বিশেষ কার্গো বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।প্রকল্প সূত্র জানায়, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে নয়টি চালানে দেশে আসবে এই জ্বালানি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সব চালান সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।প্রকল্পসংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা জানান, সব প্রস্তুতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শেষ হলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।তাঁদের হিসাবে, পরীক্ষামূলকভাবে ২০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামবাহী গাড়িবহর। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গাড়িবহরটি পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে।
পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়ামের চালান নিয়ে গাড়িবহরটি দুপুর সাড়ে ১২টার পর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়।
এর আগে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাড়িবহরটি রূপপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গাড়িবহরে ছিল চারটি গাড়ি। এর মধ্যে তিনটি লরিতে ইউরেনিয়াম এবং অন্য একটি গাড়িতে নেওয়া হয় অন্যান্য সরঞ্জাম। রাশিয়া থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরাও গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলেন।
ইউরেনিয়াম পরিবহনের নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, বিশেষ রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইউরেনিয়ামবাহী একটি বিশেষ কার্গো বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
প্রকল্প সূত্র জানায়, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে নয়টি চালানে দেশে আসবে এই জ্বালানি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সব চালান সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা জানান, সব প্রস্তুতি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শেষ হলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে।
তাঁদের হিসাবে, পরীক্ষামূলকভাবে ২০০ থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।