জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের ফটক। ছবি : সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ৬ আগস্ট থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত.
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ ৬ আগস্ট সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ।বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রী, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনের প্রথম দিন জাদুঘরটি যুদ্ধাহত পরিবারগুলোর জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। পরবর্তীতে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে সাধারণ দর্শনার্থীরা জাদুঘরটি পরিদর্শন করতে পারবেন।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’-কে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়। এই জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাসের পাশাপাশি বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনামলের নানান দমন-পীড়নের দলিল ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যও স্থান পাচ্ছে। শিক্ষার্থী, গবেষক ও দর্শনার্থীদের জন্য গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইন টিকিটিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত গণভবনের আয়তন ১৭ দশমিক ৬৮ একর। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবনটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেয়। এরপর ৫ সেপ্টেম্বর জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। ২৪ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি নির্মাণে গণপূর্ত বিভাগ ও জাতীয় জাদুঘর মোট বরাদ্দ পেয়েছে ১২৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। মোট খরচ হয়েছে ১১০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। অব্যয়িত ১২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার বাসভবন গণভবনে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ ৬ আগস্ট সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রী, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধনের প্রথম দিন জাদুঘরটি যুদ্ধাহত পরিবারগুলোর জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। পরবর্তীতে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে সাধারণ দর্শনার্থীরা জাদুঘরটি পরিদর্শন করতে পারবেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’-কে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়। এই জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাসের পাশাপাশি বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনামলের নানান দমন-পীড়নের দলিল ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যও স্থান পাচ্ছে। শিক্ষার্থী, গবেষক ও দর্শনার্থীদের জন্য গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইন টিকিটিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত গণভবনের আয়তন ১৭ দশমিক ৬৮ একর। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবনটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেয়। এরপর ৫ সেপ্টেম্বর জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য সিদ্ধান্ত নেয় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। ২৪ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি নির্মাণে গণপূর্ত বিভাগ ও জাতীয় জাদুঘর মোট বরাদ্দ পেয়েছে ১২৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। মোট খরচ হয়েছে ১১০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। অব্যয়িত ১২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।