‘গুম’ নিয়ে এমন আইন আনতে চাই যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
‘গুম’ নিয়ে এমন আইন আনতে চাই যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী.
বিএনপি সরকার ‘গুম’ নিয়ে এমন আইন আনতে চায় যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পায় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।শনিবার (২৯ আগস্ট) শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ দেশের মানুষ দীর্ঘ ফ্যাসিজম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন। আমরা গুমের জন্য এমন আইন আনতে চাই যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পায়। যারা অপরাধী তারা সাজা পাবে। কিন্তু গুম কমিশনে এগুলো ছিল না। আমরা চেয়েছি যারা গুমের শিকার, তারা যেন সরাসরি আদালতে যেতে পারে। এ ধরনের আইন আমরা সংসদে প্লেস করেছি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোন ধরনের গুমে কী সাজা, সেগুলো অ্যাড্রেস করেছি। তদন্ত কারা করবে, কীভাবে করবে, সেগুলো ঠিক করেছি। গুমের শিকার কাউকে পাওয়া না গেলে তার ওয়ারিশরা যেন তার সম্পদ পান, সে বিধান করেছি। যারা গুম করেছে তারা যদি শেষ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দিতে নাও পারে, তবুও রাষ্ট্র যেন সেটা দিতে পারে, সেই বিধান করেছি। এভাবেই গুম প্রতিকার আইন ২০২৬ নিয়ে এসেছি আমরা। হয়তো এই আইনে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু এটা তো সংশোধন করা যাবে। আমরা সেই আইনটাই করেছি। এটা দরকার ছিল।মন্ত্রী বলেন, আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি নিজেও গুমের শিকার। আমি কি চাইব না যে গুম নিয়ে একটি শক্তিশালী আইন হোক? এখানে কি আর কোনো স্বার্থ থাকতে পারে? আমরা আজ সরকারে আছি, আগামীতে নাও থাকতে পারি। কিন্তু এই আইনটা থাকবে। ফলে গুমের শিকার যিনিই হন, তিনি বিচার পাবেন।তিনি বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের গত দুই বছর অবজ্ঞা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে। তাদের নিয়ে অপসংস্কৃতি চর্চা করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। আমরা যারা গুম হয়েছি, তাদের মধ্যে আমি বেঁচে আছি, হুম্মাম কাদের বেঁচে আছেন। আমরা কি জানতাম আমরা বেঁচে থাকব? আমাদের বেঁচে থাকা নিয়ে হাস্যরস করা ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে হতাশাগ্রস্ত করবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বিএনপি সরকার ‘গুম’ নিয়ে এমন আইন আনতে চায় যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পায় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ দেশের মানুষ দীর্ঘ ফ্যাসিজম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন। আমরা গুমের জন্য এমন আইন আনতে চাই যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পায়। যারা অপরাধী তারা সাজা পাবে। কিন্তু গুম কমিশনে এগুলো ছিল না। আমরা চেয়েছি যারা গুমের শিকার, তারা যেন সরাসরি আদালতে যেতে পারে। এ ধরনের আইন আমরা সংসদে প্লেস করেছি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোন ধরনের গুমে কী সাজা, সেগুলো অ্যাড্রেস করেছি। তদন্ত কারা করবে, কীভাবে করবে, সেগুলো ঠিক করেছি। গুমের শিকার কাউকে পাওয়া না গেলে তার ওয়ারিশরা যেন তার সম্পদ পান, সে বিধান করেছি। যারা গুম করেছে তারা যদি শেষ পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দিতে নাও পারে, তবুও রাষ্ট্র যেন সেটা দিতে পারে, সেই বিধান করেছি। এভাবেই গুম প্রতিকার আইন ২০২৬ নিয়ে এসেছি আমরা। হয়তো এই আইনে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে, কিন্তু এটা তো সংশোধন করা যাবে। আমরা সেই আইনটাই করেছি। এটা দরকার ছিল।
মন্ত্রী বলেন, আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি নিজেও গুমের শিকার। আমি কি চাইব না যে গুম নিয়ে একটি শক্তিশালী আইন হোক? এখানে কি আর কোনো স্বার্থ থাকতে পারে? আমরা আজ সরকারে আছি, আগামীতে নাও থাকতে পারি। কিন্তু এই আইনটা থাকবে। ফলে গুমের শিকার যিনিই হন, তিনি বিচার পাবেন।
তিনি বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের গত দুই বছর অবজ্ঞা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে। তাদের নিয়ে অপসংস্কৃতি চর্চা করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। আমরা যারা গুম হয়েছি, তাদের মধ্যে আমি বেঁচে আছি, হুম্মাম কাদের বেঁচে আছেন। আমরা কি জানতাম আমরা বেঁচে থাকব? আমাদের বেঁচে থাকা নিয়ে হাস্যরস করা ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে হতাশাগ্রস্ত করবে।