দুর্গম সীমান্তে নজরদারিতে আধুনিক ড্রোন ব্যবহার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দুর্গম সীমান্তে নজরদারিতে আধুনিক ড্রোন ব্যবহার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী.
দুর্গম ও বনাঞ্চলঘেরা সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও সহজ ও কার্যকর করতে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি বলেন, যেসব এলাকায় সরাসরি জনবল দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা কঠিন, সেখানে নাইট ভিশন ও থার্মাল প্রযুক্তিসংবলিত ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে আধুনিক ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স পরিচালনা করা সম্ভব হবে। রাতের আঁধারেও সীমান্তের বিভিন্ন তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।মঙ্গলবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সিলেট সেক্টর সদর দপ্তরে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার (এসএসএসডিডব্লিউ)’ উদ্বোধন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বিশেষায়িত এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, থার্মাল প্রযুক্তিসংবলিত ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্তের ওপারের বিভিন্ন তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। একই সঙ্গে চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র পাচারের সম্ভাব্য রুট শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা সহজ হবে।সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবিক দুর্যোগেও ড্রোন প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান তিনি। সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় উদ্ধার অভিযান এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বিজিবি সফলভাবে ড্রোন ব্যবহার করেছে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বর্তমানে বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন ওয়ারফেয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে বেসামরিক জনবলকেও উন্নত প্রযুক্তি ও ড্রোন পরিচালনায় দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে বিশ্বের সর্বাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও বাড়বে।মাদক মামলার প্রসিকিউশন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনকে যুগোপযোগী করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে ল্যাব, হাজতখানা, ডগ স্কোয়াড ও আধুনিক অস্ত্র যুক্ত করে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে ‘মব’ সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা প্রচলিত আইনের মাধ্যমে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলেও জানান তিনি।অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। স্বাগত বক্তব্য দেন বিজিবির সিলেট সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দীন।প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধনের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়।পরে তিনি ড্রোন স্কুল কমপ্লেক্স ও ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। এ সময় বিজিবির পরিচালনায় বাস্তবভিত্তিক অপারেশনাল মহড়া ও ডাইনামিক ড্রোন ডিসপ্লে দেখেন তিনি।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিবি সদর দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, তথ্যনির্ভর ও প্রযুক্তিসক্ষম করতে বিজিবির বিশেষায়িত প্রশিক্ষণকেন্দ্র হিসেবে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর যাত্রা শুরু হলো। এর মাধ্যমে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় আকাশভিত্তিক আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হলো।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দুর্গম ও বনাঞ্চলঘেরা সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও সহজ ও কার্যকর করতে আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, যেসব এলাকায় সরাসরি জনবল দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা কঠিন, সেখানে নাইট ভিশন ও থার্মাল প্রযুক্তিসংবলিত ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে আধুনিক ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স পরিচালনা করা সম্ভব হবে। রাতের আঁধারেও সীমান্তের বিভিন্ন তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
মঙ্গলবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সিলেট সেক্টর সদর দপ্তরে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার (এসএসএসডিডব্লিউ)’ উদ্বোধন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বিশেষায়িত এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, থার্মাল প্রযুক্তিসংবলিত ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্তের ওপারের বিভিন্ন তৎপরতা পর্যবেক্ষণ করা যাবে। একই সঙ্গে চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র পাচারের সম্ভাব্য রুট শনাক্ত করে তা প্রতিরোধ করা সহজ হবে।
সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ও মানবিক দুর্যোগেও ড্রোন প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানান তিনি। সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় উদ্ধার অভিযান এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বিজিবি সফলভাবে ড্রোন ব্যবহার করেছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বর্তমানে বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন ওয়ারফেয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে বেসামরিক জনবলকেও উন্নত প্রযুক্তি ও ড্রোন পরিচালনায় দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে বিশ্বের সর্বাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও বাড়বে।
মাদক মামলার প্রসিকিউশন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনকে যুগোপযোগী করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে ল্যাব, হাজতখানা, ডগ স্কোয়াড ও আধুনিক অস্ত্র যুক্ত করে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে ‘মব’ সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা প্রচলিত আইনের মাধ্যমে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। স্বাগত বক্তব্য দেন বিজিবির সিলেট সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দীন।
প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধনের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়।
পরে তিনি ড্রোন স্কুল কমপ্লেক্স ও ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। এ সময় বিজিবির পরিচালনায় বাস্তবভিত্তিক অপারেশনাল মহড়া ও ডাইনামিক ড্রোন ডিসপ্লে দেখেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিবি সদর দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, তথ্যনির্ভর ও প্রযুক্তিসক্ষম করতে বিজিবির বিশেষায়িত প্রশিক্ষণকেন্দ্র হিসেবে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর যাত্রা শুরু হলো। এর মাধ্যমে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় আকাশভিত্তিক আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হলো।