ভারত চলবে ভারতের মতো, বাংলাদেশ বাংলাদেশের মতো.
মক্কা চুক্তির বিষয়ে আইনমন্ত্রী. আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।শনিবার বেলা ১১টার দিকে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ভারত তাদের পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী কাজ করবে। বাংলাদেশও তার নিজস্ব নীতি অনুযায়ী কাজ করবে। ভারত চলবে ভারতের মতো, বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের মতো।সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সন্তুষ্ট কি না, সেটি মূল বিষয় নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।ই-জুডিশিয়ারি বা বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার ও আইন মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস এবং শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ভারত তাদের পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী কাজ করবে। বাংলাদেশও তার নিজস্ব নীতি অনুযায়ী কাজ করবে। ভারত চলবে ভারতের মতো, বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের মতো।
সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সন্তুষ্ট কি না, সেটি মূল বিষয় নয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
ই-জুডিশিয়ারি বা বিচার বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার ও আইন মন্ত্রণালয় কাজ করছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস এবং শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।