সুপ্রিম কোর্টে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) নিয়োগে অনিয়ম, অযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন নিয়োগবঞ্চিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক আইনজীবী অংশ নেন। এ সময় তারা ‘দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ মানি না, মানব না’, ‘যোগ্যদের নিয়োগ দিতে হবে’ এবং ‘বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল করতে হবে’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডিএজি ও এএজি নিয়োগে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার মানদণ্ড যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় এবং পেশাগতভাবে যোগ্য অনেক আইনজীবীকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক বিবেচনা ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
তারা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, বিতর্কিত নিয়োগ বাতিল এবং নতুন করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এর আগে গত ৩০ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একযোগে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই নিয়োগবঞ্চিত আইনজীবীদের একটি অংশ এ নিয়োগকে প্রশ্নবিদ্ধ দাবি করে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে আসছেন।
তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।