নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট নিয়ে হাইকোর্টের রুল
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৮ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট নিয়ে হাইকোর্টের রুল.
জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে কেন তা অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এসকে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।আইনজীবী ইসরাত জাহান অমি এ রিটটি করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।রিটে বলা হয়, কোনো মাদকাসক্ত ব্যক্তি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচনি বিধিমালা সংশোধন করে সরকারি হাসপাতাল বা স্বীকৃত (সার্টিফাইড) ল্যাবরেটরি থেকে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা উচিত।আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী অনি নিজে। শুনানি শেষে তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। অথচ সরকারি চাকরিজীবী বা পুলিশ সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। আমাদের প্রতিনিধিত্ব যারা করবেন—তা সংসদ সদস্য হোক কিংবা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি—তাদের অবশ্যই মাদকমুক্ত ও সুস্থ মানসিকতার (সাউন্ড মাইন্ড) হতে হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে কেন তা অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এসকে তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আইনজীবী ইসরাত জাহান অমি এ রিটটি করেন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়, কোনো মাদকাসক্ত ব্যক্তি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচনি বিধিমালা সংশোধন করে সরকারি হাসপাতাল বা স্বীকৃত (সার্টিফাইড) ল্যাবরেটরি থেকে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা উচিত।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী অনি নিজে। শুনানি শেষে তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচনি আইন ও বিধিমালায় প্রার্থীদের মাদক পরীক্ষার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। অথচ সরকারি চাকরিজীবী বা পুলিশ সদস্যদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। আমাদের প্রতিনিধিত্ব যারা করবেন—তা সংসদ সদস্য হোক কিংবা স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি—তাদের অবশ্যই মাদকমুক্ত ও সুস্থ মানসিকতার (সাউন্ড মাইন্ড) হতে হবে।