রবিবারবাংলা: ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

তিতাস নদীর তীরে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ উপভোগে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ

তিতাস নদীর তীরে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ উপভোগে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন
ভাদ্রের তপ্ত রোদ উপেক্ষা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর দুই তীরে জড়ো হন অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ। তাঁদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে নদীর পাড়। দুই বছর বন্ধ থাকার পর শনিবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ।

৫ আগস্ট-পরবর্তী বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। দুই বছর পর নৌকা বাইচকে ঘিরে তিতাস নদীতে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ।

বিকেল সাড়ে তিনটায় তিতাসের শিমরাইলকান্দি গাঁওগেরাম পয়েন্টে বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।

শিমরাইলকান্দি গাঁওগেরাম পয়েন্ট থেকে নৌকা বাইচ শুরু হয়। প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে পৌর এলাকার মেড্ডা সরকারি শিশু পরিবার পর্যন্ত গিয়ে প্রতিযোগিতা শেষ হয়।

এবারের প্রতিযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, নবীনগরসহ বিভিন্ন এলাকার ১০টি নৌকা অংশ নেয়। প্রতিটি ধাপ থেকে একটি করে বিজয়ী নৌকাসহ মোট চারটি নৌকা চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

রং-বেরঙের পোশাকে সেজে প্রতিযোগী নৌকার মাঝিরা এতে অংশ নেন। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে তাঁদের ভাটিয়ালি গান আর বৈঠার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে মুখর হয়ে ওঠে নদীর দুই পাড়। দর্শকেরাও মাঝিদের সঙ্গে সুর মেলান—‘মারো টান, হেইয়ারে হেইয়াহো’।

নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই তীরে ভিড় করেন অর্ধ লক্ষাধিক দর্শনার্থী। কেউ তীরবর্তী ভবনের ছাদে, কেউ বিভিন্ন ঘাটে অবস্থান নেন। অনেকে নৌযানে বসেও প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। দিনভর তিতাস নদীর পাড়ে ছিল উৎসবের আবহ।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে জেলা সদরের শাপলা ভয়স ক্লাব। তারা পুরস্কার হিসেবে পায় দুই লাখ টাকা। দ্বিতীয় হয় জেলা সদরের দারমা গ্রামের নৌকা। তারা পায় দেড় লাখ টাকা। তৃতীয় স্থান অধিকার করে নবীনগরের পুইল যুব সংঘ। তাদের দেওয়া হয় এক লাখ টাকা।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিটি দলকে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও ট্রফি দেওয়া হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা আক্তার এবং চিকিৎসক মো. আব্দুল মতিন।
নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক

টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
পিরোজপুরে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

‎ পিরোজপুর প্রতিনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।