পাতে আস্ত খাসি না দেওয়ায় ভেঙেছিল বিয়ে, এবার সেই বরের বিয়ে
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
পাতে আস্ত খাসি না দেওয়ায় ভেঙেছিল বিয়ে, এবার সেই বরের বিয়ে.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের আয়োজনে বরের জন্য আস্ত খাসি না রাখায় তর্কাতর্কির জেরে বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল। সেই বর জুনায়েদ মিয়া এবার নতুন করে বিয়ে করেছেন।গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নতুন কনে জান্নাতুল ফেরদৌস আক্তার। বিয়ের পর নববধূর সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন জুনায়েদ।জুনায়েদ মিয়া কসবার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি জাপানপ্রবাসী। তাঁর আগের বিয়ে ঠিক হয়েছিল আখাউড়া উপজেলার তোলাতলা গ্রামের সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার মেয়ে রাশেদা আক্তারের সঙ্গে।সোমবার দুপুরে রাশেদার বাড়িতে বিয়ের আয়োজন ছিল। বরপক্ষও সেখানে যায়। খাবারের আয়োজনে বরের জন্য আস্ত খাসি না রাখায় কথা-কাটাকাটিতে জড়ান জুনায়েদ। একপর্যায়ে কনের পরিবার তাঁর সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। উপহারসামগ্রীসহ বরপক্ষকে বিদায় করে দেওয়া হয়।এরপর নতুন করে বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নতুন কনে জান্নাতুল ফেরদৌস আক্তার আখাউড়া উপজেলার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে। তিনি কসবার সায়েদাবাদ সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তাঁর মামা তাজুল ইসলাম সরকারের বাড়ি কসবার নিয়ামতপুরে। সেখানেই বিয়ের আয়োজন করা হয়।জুনায়েদের ছোট ভাই পারভেজ রানা বলেন, নতুন বিয়ের বিষয়ে কনেপক্ষই তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। উভয় পক্ষের আলোচনার পর মঙ্গলবার রাতে কনের মামার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।তিনি আরও বলেন, তাঁর ভাইয়ের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি আছে। তবে তিনি ছুটি বাড়াবেন। ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে তাঁদের বিয়ে হয়েছে।মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে নববধূর সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন জুনায়েদ। সেখানে তিনি বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়ে সবার কাছে নবদম্পতির জন্য দোয়া চান।এদিকে একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, নতুন কনেপক্ষ বরের জন্য খাবারের আয়োজন করেছিল। সেই খাবারে খাসিও ছিল। বরসহ অন্যরা আনন্দের সঙ্গে খাসিসহ অন্যান্য খাবার খান।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের আয়োজনে বরের জন্য আস্ত খাসি না রাখায় তর্কাতর্কির জেরে বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল। সেই বর জুনায়েদ মিয়া এবার নতুন করে বিয়ে করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নতুন কনে জান্নাতুল ফেরদৌস আক্তার। বিয়ের পর নববধূর সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন জুনায়েদ।
জুনায়েদ মিয়া কসবার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি জাপানপ্রবাসী। তাঁর আগের বিয়ে ঠিক হয়েছিল আখাউড়া উপজেলার তোলাতলা গ্রামের সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার মেয়ে রাশেদা আক্তারের সঙ্গে।
সোমবার দুপুরে রাশেদার বাড়িতে বিয়ের আয়োজন ছিল। বরপক্ষও সেখানে যায়। খাবারের আয়োজনে বরের জন্য আস্ত খাসি না রাখায় কথা-কাটাকাটিতে জড়ান জুনায়েদ। একপর্যায়ে কনের পরিবার তাঁর সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। উপহারসামগ্রীসহ বরপক্ষকে বিদায় করে দেওয়া হয়।
এরপর নতুন করে বিয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নতুন কনে জান্নাতুল ফেরদৌস আক্তার আখাউড়া উপজেলার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে। তিনি কসবার সায়েদাবাদ সরকারি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তাঁর মামা তাজুল ইসলাম সরকারের বাড়ি কসবার নিয়ামতপুরে। সেখানেই বিয়ের আয়োজন করা হয়।
জুনায়েদের ছোট ভাই পারভেজ রানা বলেন, নতুন বিয়ের বিষয়ে কনেপক্ষই তাঁদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। উভয় পক্ষের আলোচনার পর মঙ্গলবার রাতে কনের মামার বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
তিনি আরও বলেন, তাঁর ভাইয়ের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি আছে। তবে তিনি ছুটি বাড়াবেন। ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে তাঁদের বিয়ে হয়েছে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে নববধূর সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন জুনায়েদ। সেখানে তিনি বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়ে সবার কাছে নবদম্পতির জন্য দোয়া চান।
এদিকে একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, নতুন কনেপক্ষ বরের জন্য খাবারের আয়োজন করেছিল। সেই খাবারে খাসিও ছিল। বরসহ অন্যরা আনন্দের সঙ্গে খাসিসহ অন্যান্য খাবার খান।