মেঘনায় ট্রলারডুবি: ২৩ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি ৪ জনের
নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৫ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
মেঘনায় ট্রলারডুবি: ২৩ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি ৪ জনের.
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় একই পরিবারের নিখোঁজ চারজনের সন্ধান ২৩ ঘণ্টা পরও পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সকাল থেকে তাঁদের উদ্ধারে আবারও অভিযান শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার হোমনা এলাকার বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন (৫৫), সজীব (২৪), সামিয়া (১৭) ও সামিন (৫)। তাঁরা বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হোমনা থেকে বৈদ্যেরবাজারের দিকে যাচ্ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন শুক্রবার দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার অভিযান বন্ধ করা হয়েছিল। শুক্রবার সকাল সাতটা থেকে আবার অভিযান শুরু হয়েছে। তিনজন ডুবুরি নদীতে নেমেছেন। তবে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ চারজনের কাউকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৪ জন যাত্রী একটি ট্রলারে করে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকায় যাচ্ছিলেন। সেখানে সাজিয়া আক্তার (১৯) ও শিশিরের বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁদের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। ট্রলারে গরু-ছাগলও ছিল।
বিকেল আনুমানিক দুইটার দিকে ট্রলারটি সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছালে ঝড়ের কবলে পড়ে। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান কোম্পানির একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তারা ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। একই সময় রায়েসা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে হেলাল উদ্দিন, সজীব, সামিয়া ও সামিন নিখোঁজ থাকেন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় রাতে অভিযান স্থগিত করা হয়। শুক্রবার সকাল থেকে আবার অভিযান শুরু হয়েছে।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, গত রাত থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এবং কোস্টগার্ডের দুটি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় একই পরিবারের নিখোঁজ চারজনের সন্ধান ২৩ ঘণ্টা পরও পাওয়া যায়নি। শুক্রবার সকাল থেকে তাঁদের উদ্ধারে আবারও অভিযান শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন কুমিল্লার হোমনা এলাকার বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন (৫৫), সজীব (২৪), সামিয়া (১৭) ও সামিন (৫)। তাঁরা বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হোমনা থেকে বৈদ্যেরবাজারের দিকে যাচ্ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন শুক্রবার দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার অভিযান বন্ধ করা হয়েছিল। শুক্রবার সকাল সাতটা থেকে আবার অভিযান শুরু হয়েছে। তিনজন ডুবুরি নদীতে নেমেছেন। তবে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ চারজনের কাউকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৪ জন যাত্রী একটি ট্রলারে করে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকায় যাচ্ছিলেন। সেখানে সাজিয়া আক্তার (১৯) ও শিশিরের বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁদের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। ট্রলারে গরু-ছাগলও ছিল।
এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান কোম্পানির একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তারা ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। একই সময় রায়েসা বেগম (৪০) নামের এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে হেলাল উদ্দিন, সজীব, সামিয়া ও সামিন নিখোঁজ থাকেন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় রাতে অভিযান স্থগিত করা হয়। শুক্রবার সকাল থেকে আবার অভিযান শুরু হয়েছে।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, গত রাত থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল এবং কোস্টগার্ডের দুটি দল ঘটনাস্থলে রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে।