মাদারীপুরে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে জোরপূর্বক বিষপানে হত্যার অভিযোগ.
মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুড়াইল ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় লাবনী আক্তার নামের এক গৃহবধূকে জোর করে বিষপান করিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী ঝিনু কাজীর বিরুদ্ধে। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন লাবনীর স্বজনেরা।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।লাবনীর স্বজনদের অভিযোগ, প্রবাসী ঝিনু কাজীর সঙ্গে পাশের বাড়ির শারমিন আক্তারের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় প্রায় এক বছর ধরে ঝিনু ও লাবনীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল।স্বজনদের ভাষ্য, এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঝিনু কাজী, তাঁর কথিত প্রেমিকা শারমিন আক্তার ও শারমিনের বাবা নান্নু সরদার লাবনীর ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তাঁরা লাবনীকে জোর করে বিষপান করান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।বিষপানের পর লাবনী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। তাঁর মা, ভাই-বোনসহ স্বজনেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় লাবনীকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।লাবনীর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, তিনি স্বাভাবিকভাবে বিষপান করেননি। তাঁকে জোর করে বিষপান করিয়ে হত্যা করা হয়েছে।তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ লাবনীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।অভিযোগের বিষয়ে ঝিনু কাজী, শারমিন আক্তার ও নান্নু সরদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।মাদারীপুর সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুড়াইল ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় লাবনী আক্তার নামের এক গৃহবধূকে জোর করে বিষপান করিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী ঝিনু কাজীর বিরুদ্ধে। পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন লাবনীর স্বজনেরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
লাবনীর স্বজনদের অভিযোগ, প্রবাসী ঝিনু কাজীর সঙ্গে পাশের বাড়ির শারমিন আক্তারের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় প্রায় এক বছর ধরে ঝিনু ও লাবনীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ চলছিল।
স্বজনদের ভাষ্য, এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে ঝিনু কাজী, তাঁর কথিত প্রেমিকা শারমিন আক্তার ও শারমিনের বাবা নান্নু সরদার লাবনীর ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে তাঁরা লাবনীকে জোর করে বিষপান করান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিষপানের পর লাবনী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। তাঁর মা, ভাই-বোনসহ স্বজনেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন।
গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় লাবনীকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
লাবনীর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, তিনি স্বাভাবিকভাবে বিষপান করেননি। তাঁকে জোর করে বিষপান করিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ লাবনীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ ঘটনায় মাদারীপুর সদর থানায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মাদারীপুর সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।